ঢাকা, আজ শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

তার বাবা বরাবরই গান্ধীবাদে বিশ্বাসী ছিলেন।

প্রকাশ: ২০২০-০৪-২৯ ২১:০৪:৩১ || আপডেট: ২০২০-০৪-২৯ ২১:০৪:৩১

এমনকী বলবীরকে যেন তার বাবার মুখাগ্নিও করতে না দেয়া হয়। বলবীরের বন্ধু যোগেন্দ্র পালেরও একই দশা। ২৫ বছর আগে যিনি বলবীরের সঙ্গেই উঠেছিলেন বাবরির মাথায়।

শাবলের ঘায়ে ভেঙেছিলেন মসজিদ। বহু দিন আগে তিনিও হয়ে গেছেন পুরোদস্তুর মুসলিম। বলবীর জানান, তার পরিবার কোনও দিনই উগ্র হিন্দু ছিলেন না। ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর ইংরেজি, এই তিনটি বিষয়ে এমএ ডিগ্রি পাওয়া বলবীর তার মা, বাবা, ভাই, বোনদের নিয়ে ছোটবেলায় থাকতেন পানিপথের কাছে খুব ছোট্ট একটা গ্রামে। বলবীরের বয়স যখন ১০, তখন তিনি ও তার ভাইদের পড়াশোনার জন্য বলবীরের বাবা দৌলতরাম তাদের নিয়ে চলে যান পানিপথে।

তার বাবা বরাবরই গান্ধীবাদে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি দেশভাগ দেখেছিলেন। তার যন্ত্রণা বুঝেছিলেন। তাই আমাদের আশপাশে যে মুসলিমরা থাকতেন, উনি তাঁদের আগলে রাখতেন সব সময়। কিন্তু পানিপথের পরিবেশটা ছিল অন্য রকম। হরিয়ানার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা লোকজনরা তেমন মর্যাদা পেতেন না পানিপথে। ফলে একটা গভীর দুঃখবোধ সব সময় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত বলবীরকে।