ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

বাংলাদেশকে দেখলে মনে হবে সিঙ্গাপুর: হাছান মাহমুদ

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-০৯ ১২:৫৪:০৫ || আপডেট: ২০১৯-০৭-০৯ ১২:৫৪:০৫

বেলজিয়ামে শনিবার (৬ জুলাই) আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হয়। এতে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপিকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়।সংগঠনের সভাপতি শহিদুল হক শহিদের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন।বিশেষ অতিথি ছিলেন বেলজিয়ামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাদাত হোসেন ও সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম।তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গৌরব ইতিহাস ও ঐতিহ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করার জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যচেষ্টা করা হয়েছে তারপরও তিনি বিচলিত না হয়ে দেশের মানুষের পাশে থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আজ বাংলাদেশকে দেখলে মনে হবে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক কিংবা মালয়েশিয়া।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানিয়ে বিএনপি অপপ্রচার করছে। জিয়াউর রহমান জীবিত থাকা অবস্থায় এ দাবি করেননি।

এসময় তিনি বলেন বাংলাদেশের উন্নয়কে বাধাগ্রস্থ করতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি ভয় না পেয়ে বারবার মানুষের ভালোবাসায় ফিরে এসেছেন।বাংলাদেশ আজ স্বল্প উন্নত দেশ নয় উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়। আকাশ থেকে দেখলে মনে হবে এ যেন সিংঙ্গাপুর, ব্যাংকক কিংবা মালেয়শিয়া, আর হাতিরঝিল মনে হবে প্যারিস।আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুজিবুর রহমান, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ড. ফারুক মির্জা, খোকন শরীফ, সহসভাপতি বিধান দেব, মনির হোসেন জামাল, হুমায়ণ মাসুদ হিমু, যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান খান, দাউদ খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক আক্তারুজ্জামান, দপ্তর সম্পাদক রাইসুল ইসলাম রাসেল, রানা মর্তুজা, আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আলী হোসেন, বেলজিয়াম বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ফিরোজ বাবুল ফ্রান্স আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন কয়েছ, সহসভাপতি এম এ কাশেম, সহসভাপতি মঞ্জুরুল হাসান সেলিম, হল্যান্ড আওয়ামী লীগ নেতা মুরাদ খান, জার্মান আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক আলী ভূইয়া বকুল প্রমুখ।

বক্তারা প্রবাসীদের নানা সমস্যা ও সমাধানের কথা তুলে ধরেন এক সময়ের বেলজিয়াম প্রবাসী বর্তমান মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে। সভার শেষ পর্যায়ে লন্ডন থেকে আগত শিল্পী শতাব্দী কর ও স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।