ঢাকা, আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২০

চীনে নবমুসলিমরা মাসজিদে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচেই সালাত আদায় করতেছে….

প্রকাশ: ২০২০-০৩-০১ ০৯:৩৯:৫৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-১৬ ০৪:৫১:১৯

চীনে কিছুদিন আগেও #মুসলিম_যুবতি_মেয়েদেরকে ঝোর করে বন্দা করে দেওয়া হয়েছিলো যাতে মুসলমান কোনো সন্তান জন্ম নিতে না পারে কিন্তু আল্লাহর কি কুদরাত বর্তমানে চীনের অধিকাংশ পরিবারই মুসলিম পরিবার কিছুদিন আগেও নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ ছিলো, নামাজ আদায় করা আইনত অপরাধ ছিলো রোজা রাখলে এক বছরের জেল হতো আজ সেই চীনের মাসজিদগুলাতে মুসল্লিদের ঢ্ল পরেছে নবমুসলিমরা মাসজিদে জায়গা না পেয়ে রাস্তায় খোলা আকাশের নিচেই সালাত আদায় করতেছে আল্লাহ চাইলে কি না পারে ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম মুসলমানদের জয় হবেই হবে..

কঠিন বিপদের সময় মুসলমানদের দু’আয় গুরুত্বপূর্ণ ‘পাওয়ার’ রয়েছে: ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বিপদের সময় মুসলমানদের প্রার্থনার গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার আমি দেখেছি।

তারা বিপদের সময় নামাজ, রোজা ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে নিজেদের শক্তিশালী করে তোলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে শুভেচ্ছা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, মুসলমানগণ দীর্ঘ এক মাস যাবত অনাহার যাপন করেন এবং প্রার্থনা করেন।

তারা এর মাধ্যমে নিজেদের আত্মশুদ্ধি অর্জন করেন। আমি এই মহিমান্বিত রমজান মাসে তাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, রমজানের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি মুসলমানদের বিরুদ্ধে বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

যার মাঝে আমেরিকায় মুসলিম অভিবাসীদের নিষিদ্ধ করা অন্যতম। এছাড়াও তিনি ফিলিস্তিনে অর্থায়ন বন্ধ, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি ও গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের নামে লিখে দেওয়া সহ নানান মুসলিম বিরোধী কার্যক্রমে অনুমোদন দেন।

আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী?

ফরিদ কবির (ফেসবুক থেকে): করোনা আক্রা’ন্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবে ১০ হাজার ছাড়ালো! বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যাটা কতো হতে পারে, আন্দাজ করেন তো? ২০ হাজার? ৩০ হাজার? ৪০ হাজার? আচ্ছা, ধ’রে নিচ্ছি ৩০ হাজারই। এই মে মাসে আক্রা’ন্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা যেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, সেখানে আমরা সব দরোজা-জানালা একেবারে বন্ধ করে দেয়ার বদলে খুলে দিতে শুরু করেছি!

দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও শপিং সেন্টারগুলি খুলে দেয়ার পর আক্রা’ন্ত ৩০ হাজার রোগীর প্রত্যেকে গড়ে ৭ দিনে ৫ জন লোককে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে ১ লাখ ৫০ হাজার! তারা প্রত্যেকে পরবর্তী ৭ দিনে আরো ৫ জন করে আক্রা’ন্ত করলে এই সংখ্যা দাঁড়াবে মাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজারে! থাক, আরো কম করে বলি। ধ’রেন আক্রা’ন্তের সংখ্যা ঈদের আগেই দাঁড়ালো ৫ লাখ। ধ’রা যাক, এদের মাত্র ১০ শতাংশ মৃ’ত্যুবরণ করলো। তো, মৃত্যুর সংখ্যা কতো দাঁড়াবে?

জ্বি, এ মাসেই আক্রা’ন্তের সংখ্যা চূড়া স্পর্শ করতে পারে। এ সময়ে আমরা সামাজিক দূরত্ব না বাড়িয়ে তাকে সামাজিক ঢলাঢলিতে পরিণত করতে চলেছি। ফলে, যারা করোনায় আক্রা’ন্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করবেন বলে আমরা আশংকা করছি, সেটাকে আত্মহ’ত্যা ধরে নেয়াই সঙ্গত হবে। আপনারা দোকানপাট, শপিংসেন্টার, রেস্তোরাঁ খুলে দিলে লোকজন কি সেখানে যাবেন না? বাঙালিরা খুবই ধার্মিক প্রজাতির। তারা বিশ্বাস করেন, ‘রাখে আল্লাহ, মারে কে?’

শুধু মহিলাদের জন্যই এই দ্বীপ! পুরুষেরা যেতে পারবেন না এখানে

পৃথিবীর বুকে এমনও এক দ্বীপ রয়েছে, যেখানে পুরুষ প্রবেশ নিষেধ! একটা গোটা দ্বীপে পা রাখতে পারেন না কোনও পুরুষ। একমাত্র মহিলাদেরই যাওয়ার ছাড়পত্র রয়েছে অত্যাশ্চর্য ওই দ্বীপে। কিন্তু কেন কোনও পুরুষ যেতে পারে না ওই দ্বীপে? এমন কী রহস্য আছে ওই জায়গায়, যে পুরুষদের পক্ষে সেই দ্বীপে যাওয়া বিপজ্জনক? না, আদতে ওই দ্বীপে ভয়ঙ্কর কিছুই নেই। লুকিয়ে নেই কোনও রহস্যও। দ্বীপটির নাম সুপারসি আইল্যান্ড। ফিনল্যান্ডের কাছে বাল্টিক সাগরের বুকে অবস্থিত এই দ্বীপ। আর গোটা দ্বীপটিই (৮.৪৭ একর) সম্প্রতি কিনে নিয়েছেন মার্কিন এক মহিলা ব্যবসায়ী, যার নাম ক্রিস্টিনা রথ। আর তিনিই ওই দ্বীপে পুরুষ প্রবেশ একেবারে নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।

আসলে ক্রিস্টিনা শুধুমাত্র মহিলাদের জন্যই এমন একটা জায়গা তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যেখানে গিয়ে তারা সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। ওই দ্বীপে গিয়ে তারা দৈনন্দিন জীবন থেকে দূরে গিয়ে নিজেদের ফিটনেস, নিউট্রিশনের দিকে ধ্যান দিতে পারবেন। সেই জন্য রথ ওই দ্বীপে একটি রিসোর্ট গড়ে তুলছেন। সেখানে ৪টি বড় বড় কেবিন আছে এবং প্রতি কেবিনে ১০ জন করে মহিলা থাকতে পারবেন। রয়েছে স্পা, সওনা বাথের ব্যবস্থা। এর জন্য জনপ্রতি পাঁচদিনের খরচ দুই থেকে চার লক্ষ টাকা।

তবে স্রেফ টাকা দিলেই ওই দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি মিলবে না। এর জন্য বহুদিন আগে থেকে বুকিং করাতে হয়। তারপর হয় ইন্টারভিউ। সেই ইন্টারভিউ ক্লিয়ার করলে তবেই মিলবে ওই দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি। তবে এই একটা দ্বীপে শুধু মাত্র মহিলারা যাবেন, পুরুষদের প্রবেশ নিষেধ– ব্যাপারটি লিঙ্গবৈষম্যমূলক নয় কি? মানতে নারাজ ক্রিস্টিনা। তিনি জানালেন, ছেলেদের প্রতি তার কোনও বিদ্বেষ নেই। কিন্তু এই মুহূর্তে শুধু মহিলাদের জন্যই ওই ব্যবস্থা। আগামী ভবিষ্যতে ছেলেদের জন্যও ওই দ্বীপ খুলে দেওয়া হবে।