ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

ভারতের চলছে গণহ’ত্যা, মুসলিম উম্মাহ কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক জাকির নায়েকের

প্রকাশ: ২০২০-০২-২৬ ১৮:০৪:১৩ || আপডেট: ২০২০-০২-২৬ ১৮:০৪:১৩

মালয়েশিয়ায় নির্বাসিত ভারতীয় নাগরিক ও জনপ্রিয় ধর্মীয় বক্তা জাকির নায়েক বলেছেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে দিল্লিতে মুসলিমদের হ’ত্যা করা হচ্ছে। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে একথা বলেন জাকির নায়েক।

ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে জাকির নায়েক লিখেছেন, দিল্লিতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহ’ত্যা চালানো হচ্ছে। শুধু তারা মুসলিম হওয়ার কারণে তাদেরকে হ’ত্যা করা হচ্ছে। তাদের দোকান, বাড়িঘর লুট করে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মসজিদ ভাংচুর করা হয়েছে।

কমপক্ষে ১৫ জন মুসলিমকে হ’ত্যা করা হয়েছে। গু’লিবিদ্ধ হয়েছেন কমপক্ষে ১০০ জন। ভারতীয় মুসলিমদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট নিষ্পেষণ নতুন এক নিম্নতম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখনই কি সময় নয় আমাদের নির্যাতিত ভাই ও বোনদের পক্ষে কথা বলার জন্য আমাদেরকে একটি জাতি (উম্মাহ) হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হওয়া?

আরো সংবাদভারতে ‘মুসলিম হ’ত্যা’ বন্ধের আহ্বান ডাকসু ভিপির

ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধী আন্দোলনে সহিংস হামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ। এ সময় তারা ভারতে ‘মুসলাম হ’ত্যা বন্ধেরও’ আহ্বান করেন।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যে পাদদেশে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে তারা এই কথা বলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট’ ও সিএএ বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের ওপর ‘হামলা ও হয়রানি’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, মুহাম্মদ রাশেদ খান, ঢাবি শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, মশিউরসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, মোদির হাতে মুসলিমদের রক্ত লেগে আছে। জনগণের রক্ত লেগে আছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতার বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে নি’হতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নি’হতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন শিশুসহ ২ শতাধিক।আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে দিল্লি পরিস্থিতি! নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় অ’গ্নিগ’র্ভ হয়ে উঠেছে ভারতের দিল্লি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহ’তের সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। উত্তর-পূর্ব দিল্লির প’রিস্থিতি ক্রমেই পুলিশের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। দিল্লিতে মৃ’তের সংখ্যাও বাড়ছে। এই প’রিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার আর্জি পেশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দিল্লিতে এক হেড কনস্টেবল এবং ১২ জন সাধারণ নাগরিকসহ নিহ’তের সংখ্যা ছিল ১৩। বুধবার সকালে তা দাঁড়িয়েছে ১৮-তে। এদের বেশিরভাগই গুলিবিদ্ধ হয়ে মা’রা গিয়েছেন। এখনও ৭০ জনের শরীরে গু’লির চিহ্ন রয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এরকম বৈরী পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করার আর্জি পেশ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ইতিমধ্যেই সংঘ’র্ষের মধ্যে দিল্লির সর্বাধিক ক্ষ’তিগ্রস্ত অঞ্চলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য স্পেশাল সেল, ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং অর্থনৈতিক অপরাধ শাখার (ইডাব্লু) পক্ষ থেকে প্রায় ৩৫ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এতেও গতরাতে সংঘ’র্ষ ঠেকানো যায়নি। বুধবার সকালেই আরও ৪ জনের মৃ’ত্যুর খবর আসে। এই অবস্থায় আরও বাহিনীর দাবি জানালেন কেজরিওয়াল।

শনিবার রাতে শুরু হওয়া অশান্তির আ’গুন এখনও জ্ব’লছে দিল্লিতে। বরং, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে হিংসার আ’গুন আরও জ্ব’লে উঠছে। এদিকে অশান্ত এলাকায় খবর সংগ্রহে গিয়ে বি’ক্ষো’ভকারীদের রোষানলে পড়েছেন সাংবাদিকরাও। জানা যায়, মঙ্গলবার এক সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গু’লি ছোঁ’ড়া হয়। আহ’ত অবস্থায় পরে সেই সাংবাদিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মূলত, দিল্লির মৌজপুর, বাবরপুর, কবিরনগর, পশ্চিম জ্যোতি নগর, গোকুলপুরীর গলিতে এই সংঘ’র্ষের ছবি নজ’রে পড়েছে। লোহার রড, লাঠি, ছোট ছোট টুকরো টুকরো করে ভা’ঙা ইটকে অ’স্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন বি’ক্ষো’ভকারীরা। এদিকে, দু’ষ্কৃতিকারী দেখলেই গু’লি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। ক্ষি’প্ত জনতাকে ভ’য় দেখাতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মনে।
সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দুএক্সক্লুসিভ ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার একজন কৃষক প্রায় ২০ বছরের গবেষণায় বিচিবিহীন লিচুর জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। চীন থেকে একটি লিচুর গাছ নিয়ে এসে শুরু হয়েছিল তার গবেষণা। এ প্রকল্পে ব্যয় হয় ৫ হাজার ডলার। এই কৃষকের নাম টিবি ডিকসন।

কয়েক দশক ধরে তিনি একাধিক জাতের লিচুর জাত উদ্ভাবন করেন। তার সবশেষ উদ্ভাবন হলো- বিচিবিহীন লিচু। যাকে তিনি ‘খুব সুস্বাদু’ বলছেন। এর স্বাদ অনেকটা আনারসের মতো। এই কৃষক এবিসিকে বলেছেন, বিচিবিহীন এই জাত উদ্ভাবনে সফল না হওয়া পর্যন্ত তিনি চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন।

দীর্ঘ প্রচেষ্টায় লিচুর এই নতুন প্রজাতির উদ্ভাবন করা হয়েছে। চীন থেকে আমদানি করা ওই ছোট গাছ থেকে ক্রস পরাগায়নের মাধ্যমে এটি করা হয়। যাতে লিচুর পুরুষ ফুলের পরাগ সংগ্রহ করা হয় এবং তা নারী ফুলের অংশের মধ্যে স্থানান্তর করা হয়।

6 0 Google +0 0 0

You Might Also Like