ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

ইভিএম নিয়ে নিশ্চয়ই বিএনপি আর প্রশ্ন তুলবে না : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-২৫ ১৫:০২:১২ || আপডেট: ২০১৯-০৬-২৫ ১৫:০২:১২

বগুড়া-৬ আসনে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে হওয়া নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হওয়ার পর ইভিএম নিয়ে দলটি আর প্রশ্ন তুলবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই। তারা বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং জয়লাভ করেছে। সেখানে সব কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে নির্বাচন হয়েছে। এই পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় বিএনপি আর ইভিএম নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন করবে না। এ নির্বাচন প্রমাণ করে, অতীতেও আমাদের দেশে যেসব নির্বাচন হয়েছে সেগুলো অবাধ সুষ্ঠু হয়েছে। অতীতেও আমাদের দেশে যেসব নির্বাচন হয়েছে সেগুলো অবাধ সুষ্ঠু হয়েছে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইভিএমের মাধ্যমে সকল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এটা আবার প্রমাণ হয়েছে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে। সেখানে বিএনপির প্রার্থী বেশ ভালো ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, শুরু থেকেই বিএনপি ইভিএমের বিরোধিতা করেছে। অথছ সেই ইভিএমের ভোটেই তারা বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।’

এর আগেও নির্বাচন নিয়ে বিএনপি প্রশ্ন তুলেছিল উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘নিশ্চয়ই এ নির্বাচন নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলবে না। এই নির্বাচনে বিএনপির জয়লাভের মধ্য দিয়ে এটাই প্রমাণিত হয়, ইভিএমেও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়। অতীতেও আমাদের দেশে যেসব নির্বাচন হয়েছে সেগুলো অবাধ সুষ্ঠু হয়েছে।’

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সম্প্রচারের সরকারি সকল আয়োজন শেষ হয়েছে। এখন শুধুমাত্র আমাদের টেকনিক্যাল টিম যাচ্ছে। তারা ২৭ জুন দেশে ফিরলেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব। জুলাই মাসে একটি অনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে সেখানে বিটিভি চালু হবে। সমগ্র ভারতবর্ষে বিনা ফিতে বাংলাদেশ টেলিভিশন দেখা যাবে।’

বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপনের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাড়ে ১২ বছর আগেই এই বিষয়ে আইন পাস হয়েছে। অতীতে সে আইন প্রয়োগ হয়নি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার পর আমি সেই আইন প্রয়োগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেই মর্মে তাদের সাথে বৈঠকও করেছি। তাদেরকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ১ জুলাই থেকে যদি বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার হয় তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই মুখপাত্র বলেন, ‘বিদেশি কোনো চ্যানেল বন্ধ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের আইন অনুযায়ী বিদেশি চ্যানেলগুলো প্রদর্শন করা।’