ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০

ফেসবুকে পরিচয় অত:পর হিন্দু মেয়ে মুসলিম হয়ে বিয়ে করলো মুসলিম ছেলেকে

প্রকাশ: ২০১৯-১১-২৪ ১১:০৭:২০ || আপডেট: ২০১৯-১১-২৪ ১১:০৭:২০

মেয়েটি হিন্দু, আর ছেলেটি মুসলিম! ফেসবুকে দুজনের পরিচয়! রাতজেগে চ্যাটিং করা, আর সারাদিন, একজন আরেক জনের গায়ে পরে ঝগড়া করা! মাঝে, মধ্যে একটু একটু অভিমানের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠে বন্ধুত্ব! বেশিরভাগ সময় অভিমান গুলো ভেঙ্গে যেত, ছোট্ট করে সরি লিখা একটা এস’এম’এস এর মাধ্যমে! অভিমানের পরিমাণটা একটু বেশী হলে, অভিমান ভাঙ্গানোর প্রধান হাতিয়ার ছিল পিকচার পাঠানো। কোন এক সন্ধায়!
-আজান হইছে নামাজে যা!

(সুপ্তি)-না আজকে যাবনা! (আকাশ)-নামাজ না পরলে তুই আমার সাথে একদম কথা বলবিনা-ইদানীং নামাজ পরা হয়না, কাধে শয়তান উঠছে-কি তুই পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করিস না? আগে জানলে হয়তো তোর সাথে কথাই বলা হতনা।-আগে পরতাম ইদানীং হয়না!(আকাশ কিছুটা অবাক হয়ে গেল, কি করে হিন্দু একটি মেয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিতে পারে)-প্লিজ এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরবি, আমায় কথা দে!-ওকে কথা দিলাম এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব-এভাবে না আমার কছম খেয়ে বল এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবি-ওকে বান্দন্নি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরব।কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় আসছেনা!-কি ব্যাপার?-তুই হিন্দু হয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিচ্ছিস ক্যান?-ভাল কাজের জন্য সবাই তাগিদ দিতে পারে! তাছাড়া আমি হিন্দু পরিবারে জন্মেছি এটাকি আমার অপরাধ বল?

-একদম না(মেসেজের রিপ্লাই কি দিবে বুঝতে পারছিলনা ছেলেটা)মেয়েটি প্রতিদিন ছেলেটার খোঁজ খবর রাখে। সাথে নামাজ পরেছে কিনা সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর রাখতো। কখনো নামাজ মিস হলে অজানা এক অভিমানে হিন্দু মেয়েটি ছেলেটির সাথে কথা বলতোনা।প্রথম রমজানে:-ওই বান্দর (হিন্দু মেয়ে সুপ্তি)– কি ঢংগি ঘুম থেকে উঠছিস কখন? (মুসলিম ছেলে আকাশ)-অনেক আগে তুই?-মাত্র উঠলাম-সকালে খাইছি কিছু?-এক গ্লাস জল পর্যন্ত না, তোর সাথে খাব
-গতকাল তোকে বলছি না, আজকে আমি রোজা থাকব, আচ্ছা তুর কি ভাব আর নেওয়া ছাড়বিনা?-ওই বান্দর আমিও রোজা রাখছি-একদম পাগলামো করবিনা কিছু খেয়ে নে-তুই কষ্ট করবি আর আমি খাব একদম না-দেখ ভাল হচ্ছে না কিন্তু-না খাবনা,তোকে রেখে কোনদিন খাইছি?-আরে পাগলি আমার খেতে লেট হবে-জানি সন্ধায় খাবি-হুম-আমিও সন্ধায় খাব-থাকতে পারবি সারাদিন না খেয়ে?-হাজার বার পারব-তোর বাসায় জানে এইসব-তুই পাগল নাকি? জানবে কি করে।

তাছাড়া বাসায় জানতে পারলে অনেক সমস্যা হবে।এইভাবে তাদের মধ্যে চলতে থাকে অনেক দিন।একদিন সুপ্তি বলে আমাকে তুই বিয়া করবি ”আকাশ চমকে যায় বলে তুই কি পাগল হইচিস? তুই কি পারবি সবকিচু ফেলে আমাকে নিয়ে থাকতে? সুপ্তি হেসে বলল আরে পাগল তুই আমাকে এত দিন এ চিনছিস, আমি তোকে ভালোবাসি যতটুকু তার থেকে তোর ধর্মকে বেশি ভাল ভালোবাসি।অবশেষে আকাশ বিয়ে করতে রাজি হয়ে গেল। সুপ্তি এখন “শাদিয়া আক্তার”
(ঘটনাটা সবাইকে দেখার জন্য অবশ্যই শেয়ার করবেন ”মহান দয়ালু আল্লাহ তায়া’লা এই দম্পতিকে সুখে শান্তিতে রাখুন। আমীন..?

শেখ হাসিনার শান্তিতে নোবেল পাওয়া উচিত : অর্থমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। খবর ইউএনবি’র।তিনি বলেন, ‘তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান শরণার্থীদেরকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বে মানবতার ইতিহাস তৈরি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বাংলাদেশের মতো জনবহুল ঘনবসতিপূর্ণ দেশে মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদেরকে যেভাবে আশ্রয় দিয়েছেন তাদের দুজনেরই শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিৎ। আশা করা যায় সারা বিশ্ব এ বিষয়ে একমত পোষণ করবে।’তুরস্কের গ্রান্ড ন্যাশনাল এসেম্বলির স্পিকার মুস্তফা সেন্তোপের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং গ্লোবাল আউট সোর্সিংয়ের একটি কেন্দ্রে পরিণত করেছে। দেশে একশটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ গত ১০ বছরে ৭ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সমর্থ হয়েছে এবং এ বছর ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের রয়েছে প্রতিযোগিতামূলক বেতন-ভাতায় সহজে প্রশিক্ষণযোগ্য নিবেদিত প্রাণ জনশক্তি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে স্বল্প ব্যয় এবং বৃহৎ শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশ সুবিধা। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রণোদনার সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে অধিক হারে মুনাফার সুযোগ রয়েছে।’

এসময় ইলেকট্রনিক্স, ওষুধ, গ্যাসসহ বেশ কিছু খাতে তুরস্কের বিনিয়োগের ইতিবাচক সাড়াকে মন্ত্রী সাধুবাদ জানান।তিনি তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান করে বলেন, তুরস্ক বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে অনেক শক্তিশালী। তাই তুরস্ক যদি বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার জন্য জায়গা নিতে চায় তাহলে সরকার তাদেরকে সহায়তা করবে।

তুরস্কের স্পিকার মুস্তফা সেন্তোপ বলেন, বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দূরত্ব অনেক হলেও দুই দেশের মধ্যে ধর্ম, সংস্কৃতিসহ রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য রয়েছে। রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে উদারতার এক মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আরাকানের এই মুসলিমদের ওপর যে অবিচার করা হয়েছে সেটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তুরস্ক এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তুরস্ক চার মিলিয়ন শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, আর বাংলাদেশ এক মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান জনবসতিপূর্ণ একটি ছোট দেশ বাংলাদেশ। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। যেকোনো উপায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে তুরস্ককে সহায়তা করার অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশে মানবিক কারণে আশ্রয় দেয়া হলেও এখন তার উচ্চমূল্য দিতে হচ্ছে। কক্সবাজারসহ ওই এলাকার পুরো পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এতে আমাদের সামাজিকভাবে ও জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। আমাদের সামাজিক বন্ধনসহ যে সব ক্ষতি হচ্ছে তা ডলার বা টাকার অংকে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তাই রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে, এটাই আমাদের প্রধান চাওয়া।

প্রসঙ্গত, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ ১৫টি লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে তুরস্কের আঙ্কারায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে মঙ্গলবার শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-তুরস্ক যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন সভা। যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনে তুরস্কের সঙ্গে এটা পঞ্চম সভা। তিন দিনের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য-বিণিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আইসিটি, শিপ বিল্ডিং, শিল্প, কর্মসংস্থান, নৌ-পরিবহন, কৃষি, শিক্ষা, নগরায়ন, প্রাকৃতিক দুরোগ ব্যবস্থাপনা, পর্যটন ও বিমান পরিবহন, জ্বালানি-বিদ্যুৎ, সংস্কৃতি-ট্যুরিজম, উন্নয়ন সহায়তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, পাট-টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া এতদিন ধরে চলে আসা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি নতুন করে আর কি কি খাতে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা যায় সেসব বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।

মূল্যবৃদ্ধির গুজবে মানুষগুলো তো মুখ পোড়াবেই!–ড. তুহিন মালিক

মানুষ যখন দেখে, দুই মাস পেরিয়ে গেলেও পেঁয়াজের দাম কমাতে পারে না প্রবল ক্ষমতাধর মহাকাশ জয়ী একটা সরকার! যেখানে দেড় মাস আগে খোদ প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত ভারতে গিয়ে হিন্দি ভাষায় পেঁয়াজের জন্য এতো আঁকুতি জানানোর পরও বন্ধুপ্রতীম দেশ থেকে পেঁয়াজের একটি কোয়াও পাওয়া যায় না!যখন রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতাশালী ব্যক্তিটি হতাশ হয়ে বলেন, ‘গণভবনে পেঁয়াজ দিয়ে রান্না হয় না’! তিনিই যখন হাল ছেড়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি পেঁয়াজ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি’! তখন নিত্যদিন জীবন যুদ্ধে খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের মনে চরম ভয় ও আতংকের জন্ম নেয়াটাই তো স্বাভাবিক। সাধারন মানুষ নিজের পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ভয়ে তখন আর কাউকেই বিশ্বাস করতে চায় না!

দেশের এই সাধারন মানুষগুলোর কাছে ২০০-২৭০ টাকায় ১ কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারাটা যখন দুঃস্বপ্নের মত! ঠিক তখনই যদি তাদেরকে একথা শুনতে হয়, ‘৭শ টাকায় মাংস খেতে পারেন, ২৭০ টাকায় পেঁয়াজ খেতে সমস্যা কোথায়?’ তখন মানুষের দুঃখ-কষ্টের সাথে তামাশাকারীদের উপর সাধারন মানুষের আস্থা বলতে বিন্দুমাত্র কিছুই আর অবশিষ্ট থাকে না!

গণমানুষের বিশ্বাস ও আস্থাহীনতার সাথে মানুষের ঘৃণা ও ক্ষোভ তখন দ্রুতবেগে বেড়ে যায়। যখন রাষ্ট্রের কর্তাবাবুরা বলে বেড়ান— ‘পেঁয়াজ ছাড়াই ২২ পদের রান্না জানি’! ‘বাজারে পেঁয়াজের দাম সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে’! ‘আর কোন চিন্তা নাই, পেঁয়াজ বিমানে উঠে গেছে’!কিন্তু দিন পেরিয়ে যায়। সেই বিমান আর আসে না! সেই পেঁয়াজেরও আর দেখা মেলে না! যতই তারা বলে বেড়ায় যে, ‘দুই এক দিনের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’ মানুষ এসব কথা তখন আর একেবারেই বিশ্বাস করতে চায় না। এই ‘দুই এক দিন’ আর আসে না। মাস পেরিয়ে যায়! আট সপ্তাহে দুই মাস পার হয়! এদিকে দিন বাড়ার সাথে সাথে পেঁয়াজের মূল্যই শুধু বাড়ে না, মানুষের হতাশাও বাড়তে থাকে সমানুপাতে!আর এই হতাশাগ্রস্থ মানুষগুলো যখন দেখে, ‘১ কেজি পেঁয়াজের জন্য শত শত মানুষ কিভাবে ট্রাকের সামনে দাঁড়িয়ে লড়ে যাচ্ছে!’ যখন খবরে পড়ে, ‘পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে ধাক্কাধা‌ক্কি, পু‌লিশের ‘মিস ফায়ারে’ গু‌লি‌বিদ্ধ ২।’ তখন মানুষ প্রচন্ড ভয় পায়! এই ‘মুখপোঁড়া’ মানুষগুলো তখন লবণের মূল্যবৃদ্ধির গুজবে ‘মুখ পোঁড়াতেও’ কোন আপত্তি করে না! কারন, তখন আর তারা কারো কথায় কোন বিশ্বাস রাখতে পারে না! গুজব তখন ডালপাতা মেলে প্রসারিত হতে থাকে দ্রুতবেগে। যেমনটা সাধারন মানুষের আস্থাহীনতা ও গণমানুষের ঘৃণার বিস্তৃতি ঘটে ছাপান্ন হাজারের বর্গমাইলে! লেখক: আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ

অর্থমন্ত্রীর থেকে তিনগুণ আয় বেশি মেয়ের

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা শুরু হয়েছে। মেলার প্রথমদিনই আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরের দিকে রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবের মেলা প্রাঙ্গণে কর জমা দেন অর্থমন্ত্রী।কর পরিশোধ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তার করের তথ্য প্রকাশ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, এবার আমার করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এর মধ্যে আয়কর দিয়েছি ৯১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। আমার প্রকৃত সম্পদ ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা।এ সময় স্ত্রী ও দুই মেয়ের করযোগ্য আয়, সম্পদের পরিমাণ ও কর পরিশোধের তথ্যও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর করযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা। তিনি কর দিয়েছেন ৭১ লাখ ২৯ হাজার টাকা। আমার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ৫০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, আমার বড় মেয়ের করযোগ্য আয় ৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। তিনি কর দিয়েছেন ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। তার সম্পদের পরিমাণ ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আর আমার ছোট মেয়ের করযোগ্য আয় ৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। এতে সে কর দিয়েছে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। তার সম্পদ ৬১ কোটি ৮২ লাখ টাকা।অর্থমন্ত্রী জানান, পরিবারের সদস্যসহ তাদের চারজনের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩২১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট কর দেয়ার পরিমাণ ৭ কোটি ৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।আয়কর মেলার প্রথমদিনই আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। আইন অনুযায়ী, একজন কতো টাকা কর দিলেন সেই তথ্য প্রকাশ করার সুযোগ নেই। তবে যিনি কর দিয়েছেন তিনি চাইলে সেই তথ্য নিজেই প্রকাশ করতে পারেন। যে কারণে প্রধানমন্ত্রী কতো টাকা কর দিয়েছেন তা প্রকাশ করেনি এনবিআর।করসেবা প্রদান ও কর সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছরের মতো এবারও আয়কর মেলার আয়োজন করে এনবিআর। ‘সবাই মিলে দেব কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ স্লোগানে এবার রাজধানীতে কর মেলা বসেছে অফিসার্স ক্লাবে। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা চলবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত