ঢাকা, আজ রোববার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১

খালেদা জিয়ার জামিন এ সপ্তাহেই

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৭ ১৬:৪৩:৩৩ || আপডেট: ২০১৯-০৬-১৭ ১৭:৩৫:১০

চলতি সপ্তাহেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, হাই কোর্টে এখন খালেদা জিয়ার দুটি মামলা আছে। একটি হলো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং আরেকটি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা। এই সপ্তাহের মধ্যে হাই কোর্ট ডিভিশনে এ দুটি মামলায় জামিন চাওয়া হবে। আমরা আশা করি, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন হবে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক মানববন্ধনে তিনি একথা বলেন। আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, দলের স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, যদি জামিন না হয়, তাহলে অবশ্যই আমরা আপিল বিভাগে যাব। কিন্তু আমরা জানি, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রায় এক বছর চার মাস ধওে খালেদা জিয়া কারাগারে আছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে এই নীতিনির্ধারক বলেন, আইনি প্রক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। কিন্তু তার সত্যিকারের মুক্তি আসবে আন্দোলনের মাধ্যমে। রাজপথেই খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত হতে পারে। এজন্য আমাদের সংগঠিত হতে হবে এবং কর্মসূচি দিতে হবে। আমাদের এমন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

মওদুদ আহমদ আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষ উৎকণ্ঠিত। তারা সবাই চায়, তিনি যাতে আর কারাগারে না থাকেন। এটা দেশের ১৬ কোটি মানুষের ইচ্ছা। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। সম্ভব হচ্ছে না কারণ, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আমরা শত চেষ্টা করেও জামিনের সুরাহা করতে পারছি না। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, সরকারের সুবিধাভোগীদের জন্য এ বাজেট। এ বাজেট জনসাধারণের জন্য না। গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে ৫ কোটি ৮৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে গেছে। এটা বর্তমান সরকারের বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি টাকা। এ পাচার কারা করছে? এ সরকারের মদদে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করে টাকা করেছে, তারা সে টাকা দেশে বিনিয়োগ না করে বিদেশে পাচার করেছে।