ঢাকা, আজ রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

বলেছিলেন, ভারত থেকে সাবধান, কিন্তু আমরা ভারতের দালালি করি

প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৭ ১৬:২৯:৪২ || আপডেট: ২০১৯-০৬-১৭ ১৬:৩০:৫৩

গণস্বাস্থাস্থ্য কেন্দ্রের ট্্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, দেশ আজ ভয়াবহ সংকটে। ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতির মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। ভারতের দালালি বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে দেশে বড় বিপদ আসবে। গতকাল রাজধানীর শিশু কল্যান পরিষদ হল রুমে ভাসানী অনুসারী পরিষদ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত দুর্দিন, কারণ আমরা মওলানা ভাসানীকে ভুলে গেছি। তার আদর্শকে ভুলে গেছি। তিনি ৭২-এ দেশে ফিরে বলেছিলেন ভারত থেকে সাবধান। কিন্তু আমরা বর্তমানে ভারতের দালালি করি। ভারতের দালালি বন্ধ না করলে ভবিষ্যতে দেশে বড় বিপদ আসবে। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সম্মিলিত ও জাতীয়ভাবে গণআন্দোলন করতে হবে। তাছাড়া অন্য কোন পথ নেই।

তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। ভোট লুন্ঠন, ভোট ডাকাতি হচ্ছে। এই অবস্থায় মওলানা ভাসানী বেঁচে থাকলে যা করতেন, আমাদেরকে তাই করতে হবে। তিনি যেভাবে চিন্তা করতেন সেভাবে আমাদেরও চিন্তা করে অগ্রসর হতে হবে। ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ঢাকা শহরে মওলানা ভাসানীর একটি স্মৃতিসৌধ করতে চেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি বেশিদিন বাঁচেননি। তবে তার দল এখনও বেঁচে আছে। যদি বিএনপি জিয়াউর রহমানকে সম্মান করে, তাহলে তার কথাকেও সম্মান করা উচিত।

বিএনপির উচিত প্রতি বছর মওলানা ভাসানীকে স্মরণ করা। রাজনৈতিকভাবে ঘোষণা করে সারাদেশে মওলানা ভাসানীর পরিচিতি তুলে ধরা। এটা বিএনপির কর্তব্যও। বিএনপি যত বড় দলই হোক না কেন দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা একলা চলতে পারবে না। আমরা সেটাই দেখতে পাচ্ছি। ডাকসু নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রদল পাঁচ নাম্বারে চলে এসেছে। এত বড় একটা দল তারা পাঁচ নাম্বারে চলে আসলো। এত অহংকার ভালো না। ছাত্রদলের উচিত ছিল ছাত্র ইউনিয়ন, সাধারণ ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যোগ দেয়া। অনেক সময় পিছিয়ে আসতে হয়। অন্যের নেতৃত্ব মেনে নিতে হয়। তাহলেই ভবিষ্যত উজ্জ্বল।

সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপনের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জিনাফ সভাপতি লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব নঈম জাহাঙ্গীর, ডেমক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুজ্জামান মনির প্রমুখ। উৎস – ইত্তেফাক