ঢাকা, আজ বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

ইমরান খানকে হটাতে প্রস্তুতি নিচ্ছে পাক সেনাবাহিনী!

প্রকাশ: ২০১৯-১০-০৫ ১৯:৩৩:০৫ || আপডেট: ২০১৯-১০-০৫ ১৯:৩৩:০৫

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তান কোনোভাবেই টলাতে পারছে না ভারতকে। ভারত বরাবরই বিষয়টি অভ্যন্তরীণ বললেও ইমরান খান নাছোড় বান্দজাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে চলমান কাশ্মীর সংকট, ভারতের সঙ্গে বৈরিতা ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে বিশ্বনেতাদের কাছে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন ইমরান খান। তিনিই নাকি ক্ষমতা হারাতে চলেছেন? ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজে খবর এসেছে পাকিস্তানে ফের সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।জি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানায়, ১১১ ব্রিগেডের ছুটি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। কিন্তু ছুটি বাতিলের সঙ্গে সেনা অভ্যুত্থানের কী সম্পর্ক?

এর কারণ হিসেবে বলা হয়, পাকিস্তানে প্রতিবার সেনাবাহিনী ১১১ ব্রিগেড ব্যবহার করে নির্বাচিত সরকার ফেলে দিয়েছে। এর পাশাপাশি বাজওয়া দেশের শীর্ষ শিল্পপতিদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।বলা হচ্ছে, ১১১ ব্রিগেড রাওয়ালপিন্ডিতে মোতায়েন করা হয়। পাকিস্তানি সেনা হেডকোয়ার্টারে থাকে ঐ বাহিনী। সমস্ত সেনা সদস্যের ছুটি বাতিল করে অবিলম্বে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ইমরান খানকে ক্ষমতায় বসানোর নেপথ্যে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী রয়েছে বলে দাবি সে দেশেরই বিরোধীদের। আর সেনার হাতের পুতুল ইমরান কাশ্মীরে ভারতের পদক্ষেপ (৩৭০ প্রত্যাহার) যেভাবে সামলেছেন, তাতে খুশি নন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া।এদিকে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডন ও জিয়ো নিউজ উর্দূর খবর থেকে জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে গদি থেকে সরাতে ইসলামাবাদে অবরোধের ডাক দিয়েছে দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল জামিয়েত উলেমায়ে ইসলাম। আগামী ২৭ অক্টোবর ‘আজাদী মার্চ’ নামে ওই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হবে।

এখন পর্যন্ত মোট চারবার সেনাবাহিনীর দ্বারা সরকারের পতন ঘটেছে পাকিস্তানে। ১৯৫৮ সালে, ১৯৬৯ সালে, ১৯৭৭ সালে এবং ১৯৯৯ এ। এর মধ্যে দুই বার সেনাবাহিনীর ১১১ ব্রিগেডকে ব্যবহার করে সরকারের পতন ঘটানো হয়েছে।

‘মৃত’ ক্রিকেটার নবী টুইট করে জানালেন তিনি এখনো জীবিত

বাংলাদেশ সফরে একমাত্র টেস্ট খেলেই এই ফরম্যাটকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ নবী। ওই টেস্টে আফগানিস্তানকে ২২৪ রানের ব্যবধানে দুর্দান্ত এক জয় উপহার দিতে দারুণ ভুমিকা রাখেন নবি।

ওই সময় অবসরের বিষয়ে মিডিয়ার সংবাদের শিরোনাম হওয়ার পর আবারও মৃত্যুর গুজব নিয়ে শিরোনামে উঠে এলেন তিনি।

আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী মারা গেছেন! এমন একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোযোগমাধ্যমে। মাত্র কয়েকদিন আগেই ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরে গেছেন নবী।

দেশে ফিরেই নেমে পড়েছেন ক্রিকেট প্র্যাকটিসে। আফগান ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত, বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে আফগান ক্রিকেটের এই সিনিয়র ক্রিকেটারকে।

কিন্তু হঠাৎ করেই গত দু’দিন যাবৎ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে, ‘হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেছেন মোহাম্মদ নবী। হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন তিনি।’ অনেকগুলো টুইটেই নবীর মৃ্ত্যুর বিষয়ে মিথ্যে গুজবটি ছড়ায়।

কিন্তু এ বিষয়ে আফগান ক্রিকেট বোর্ড কিংবা মোহাম্মদ নবী- কারো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হচ্ছিল না।

যদিও আফগান ক্রিকেট বোর্ড শুক্রবারও প্র্যাকটিস ম্যাচের কিছু ছবি প্রকাশ করে লিখেছে, ‘এসব ছবিতে মোহাম্মদ নবীকে দেখা যাচ্ছে। মিস-ই-আইনাক নাইটস এবং বুস্ট ডিফেন্ডারসের মধ্যকার প্রস্তুতিমূলক ম্যাচে খেলেছেন নবি।’

কিন্তু সেখানেও মোহাম্মদ নবীর সত্যিকার বর্তমান অবস্থা কেমন সেটা লেখা হয়নি। এ কারণে সমর্থকরাও পড়ে গিয়েছিল দারুণ এক সংশয়ে। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ নবীকেই স্বয়ং এসে কথা বলতে হলো টুইটারে। সেখানেই তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধুরা, আলহামদুলিল্লাহ, আমি ভালো আছি। বেশ কিছু মিডিয়ায় আমার হঠাৎ মৃত্যুর বিষয়ে ভুয়া সংবাদ প্রচার করছে। এগুলো সত্যিই ভুয়া। ধন্যবাদ।’