ঢাকা, আজ শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

দেশে ফিরেই মির্জা ফখরুলের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-১০-০২ ২১:২১:০৩ || আপডেট: ২০১৯-১০-০২ ২১:২১:০৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আট দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেই বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের খোঁজ নিয়েছেন।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রংপুর-৩ আসনের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় আহত হন মির্জা ফখরুল। বিষয়টি জানতে পেরে নিউইর্য়ক থেকে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) ভোরে দেশে ফিরেই তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে যাওয়া একজন মন্ত্রী জানান, ভোর ছয়টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান অবতরণ করে। বিমান থেকে নেমে আসার কিছু পরেই প্রধানমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, তার অবস্থা এখন কেমন? তিনি কি সুস্থ আছেন?

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলেও প্রধানমন্ত্রী বরাবরই মির্জা ফখরুলকে স্নেহের চোখে দেখেন। এর আগেও বেশ কয়েকবার প্রধানমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের অসুস্থতার খবর শুনে তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এমনকি তার চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্বও তিনি নিতে চেয়েছিলেন।

ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জন্য গেল চার বছরে দক্ষিণ আফ্রিকায় চার শতাধিক বাংলাদেশিকে হ’ত্যা করা হয়েছে।৩০ সেপ্টেম্বর, সোমবার সরকারি কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে বিদেশিদের ওপর হামলার ঘটনা খুব বেড়েছে এবং বিষয়টি বেশ আলোচনারও জন্ম দিয়েছে।

প্রিটোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির কোনো সহিংসতার জন্যই বাংলাদেশিরা কোনোভাবে দায়ী নন।এই সময়ে যেসব হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তার পেছনের অন্যতম কারণ ছিল, ব্যবসায়িক এবং আর্থিক দ্বন্দ্ব, বিবাহবর্হিভূত সম্পর্ক এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব।চলতি বছর এরইমধ্যে ৮৮ জন বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং ২০১৫ সাল থেকে পাঠানো মরদেহের সংখ্যা ৪৫২ জন বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, যেসব দেহ ফেরত পাঠানো হয়েছে তার ৯৫ শতাংশই হ’ত্যাকাণ্ডের শিকার এবং বেশিরভাগকেই তাদের দোকানে গুলি করে হ’ত্যা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত সাব্বির আহমদ চৌধুরী বলেছেন, হ’ত্যার ঘটনা আরও বেশি হতে পারে কারণ অনেক পরিবারই তাদের সদস্যদের হ’ত্যার ঘটনা হয়তো জানাননি। অনেক মরদেহের সৎকার এখানেই করা হয়েছে। সুতরাং সঠিক সংখ্যা বলা সম্ভব নয়।

হঠাৎ বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট, ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ
কোনো ধরনের হাঁকডাক ছাড়াই হঠাৎ শীর্ষ নেতা গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

বুধবার (২ অক্টোবর) দুপুরে মতিঝিলে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে ফ্রন্টের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ও নতুন ভোটের দাবিতে আগামী ২৯ অথবা ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু বৈঠকের কথা স্বীকার করলেও বৈঠকে কি সিদ্ধান্ত হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আগামী ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে। এছাড়া ১৩ অক্টোবর ঐক্যফ্রন্ট গঠনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকায় সমাবেশ করবে। কোথায় সমাবেশ করবে সেটা না জানালেও অনুমতি সাপেক্ষে যেকোনও উন্মুক্ত স্থান অথবা ঘরোয়াভাবে এ সমাবেশ করা হবে।

একই সঙ্গে বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি, সংসদ বাতিল করে অবিলম্বে জাতীয় সরকার গঠন, ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত চুনোপুটি নয় রাঘববোয়ালদের গ্রেফতারের দাবিতে অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম-সিলেটসহ কয়েকটি বিভাগীয় শহরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে সমাবেশ করা হবে।

এসব সমাবেশে ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পরবর্তী বৈঠক আগামী ৬ অক্টোবর মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের আইনী চেম্বারে অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সব কর্মসূচির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানা গেছে।

জানতে চাইলে জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন বলেন, ভোট ডাকাতির নির্বাচনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ করা হবে ২৯ অথবা ৩০ ডিসেম্বর। এছাড়া ১৩ অক্টোবর ঐক্যফ্রন্টের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ঢাকায় সমাবেশ করা হবে। আর অক্টোবর-নভেম্বর মাসে চট্টগ্রাম ও সিলেটে সমাবেশ হবে। এই সমাবেশের তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন, জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যর আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যর ডা. জাহেদ উর রহমান, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ ।