ঢাকা, আজ বুধবার, ৩ মার্চ ২০২১

যুবলীগ নেতা খালেদ-সম্রাটকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মওদুদের

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৯ ০৬:৪৩:২৩ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৯ ০৬:৪৩:২৩

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট ও যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াসহ দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া আরো বেশ কিছু নেতাকে নিয়ে।

তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী এমপি-মন্ত্রীরা রয়েছেন জি কে শামীম, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, ইসমাইল হোসেন সম্রাটদের পেছনে। তাই শেষ পর্যন্ত তাদের কিছুই হবে না।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ অ্যাব বাংলাদেশ আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘শামীম, খালেদ আর সম্রাট— এরা মাত্র তিনটি নাম। এ রকম আরও শত শত নাম আছে। শত শত মানুষ আছে, যুবলীগ আছে, ছাত্রলীগ আছে, যারা চাঁদাবাজি করে, ব্যবসা করে, ক্যাসিনো চালায় এবং জুয়ার আসর বসায়। এরা কারা? তারা তো এই দলেরই নেতা।’

তিনি বলেন, ‘কেবল ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক শোভন আর রাব্বানী নয়, ছাত্রলীগের মধ্যে এ ধরনের শোভন রাব্বানী অনেক রয়েছে। একজন ছাত্রনেতা ৮৬ কোটি টাকা চাঁদাবাজি করবে, এ তো কল্পনাই করা যায় না।’

মওদুদ বলেন, দেশের সর্বত্র দুর্নীতি ছড়িয়ে গেছে। ক্ষমতাসীন দলের সর্বস্তরের তো বটেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ উপাচার্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এদের মধ্যে তিন জনের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে।

একটি হল প্রধানমন্ত্রীর নিজ জেলা গোপালগঞ্জের। তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়েছে এবং আন্দোলন চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জজ সাহেবদের অত্যন্ত সম্মান করতাম। আজকে দেখা যাচ্ছে আদালতের সর্বত্র দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে। সে জন্য আমি মনে করি জনগণের ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেই এসব নৈরাজ্য দূর হবে।’