ঢাকা, আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

পাকিস্তানি বিমান ভেবে গুলিতে ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত

প্রকাশ: ২০১৯-০৩-৩০ ১২:৪৯:১১ || আপডেট: ২০১৯-০৩-৩০ ১২:৪৯:১৫

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের কাছে মি-১৭ ভি৫ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে ৭ জন নিহত হন।

এ ঘটনার তদন্তে গিয়ে কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে ভারতীয় বাহিনীর বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছিল।

ওই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৬ জন ভারতীয় বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা। আর মাটিতে থাকা এক নাগরিক নিহত হন।

শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস জানায়, কর্মকর্তারা হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগের ঘটনা প্রবাহ তদন্ত করে দেখছে।

খবরে বলা হয়, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে, পরিচয়, শত্রু-মিত্র নিশ্চিত হওয়ার ব্যবস্থাটি চালু, না বন্ধ ছিল তা পরীক্ষা করে আসলে কি ঘটেছিল বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র ইকোনমিক টাইমসকে জানায়, এই ঘটনার জন্য দায়ী কাউকে পাওয়া গেলে নিঃসন্দেহে তার বিরুদ্ধে কোর্ট মার্শালের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’ বা নিজেদের বাহিনীর গোলার আঘাতেই যুদ্ধবিমান বা হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে কয়েক স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর।

ওই ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে সেটি উন্নত করতে কি কি করা যেতে পারে, সেটাই নির্ধারণের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে সীমান্ত বরাবর ২৫টি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান সনাক্ত করা গেলে জম্মু ও কাশ্মীরজুড়ে অ্যালার্ম বাজানো হয়। তাতেই সক্রিয় হয় ইসরাইলে তৈরি ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি, জানায় ইকোনমিক টাইমস।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, ওই অ্যালার্মের কারণে হয়তো মনে হয়েছিল পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভারতীয় সামরিক স্থাপনায় হামলার চেষ্টা করছে। ওই সময় ধিরে চলা মি১৭ ভি৫ হেলিকপ্টারকে শত্রুর যুদ্ধবিমান ভেবে ভুল করে সেটিকে ধ্বংস করা হয়ে থাকতে পারে বলে জানায় সূত্রগুলো।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ওই ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছিল। কিন্তু, আকাশে যুদ্ধ বা পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের সাম্প্রতিক যুদ্ধের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে তারা এটির কথা উল্লেখ করেনি।