ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১

সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসলামের কোন যোগসূত্র গ্রহণযোগ্য নয়, জাতিসংঘে বক্তব্য রাখেন এরদোগান !

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৫ ২৩:০৭:৫৩ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৫ ২৩:০৭:৫৩

স’ন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসলামের যোগসূত্র গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। বুধবার তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এক বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইসলামকে স’ন্ত্রাসের সঙ্গে তুলনা করা একটি অ’নৈতিক অপবাদ। ইসলাম শান্তির ধর্ম। স’ন্ত্রাসবাদ গ্রহণযোগ্য নয়। এরদোগান আরও বলেন, বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে মতামতের স্বাধীনতায় কখনো বিভ্রান্ত হওয়া উচিত না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মুসলমানদের ঘৃণার বক্তব্যই শুধু বড় করে (ছড়িয়ে) দেখানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, মুসলিম নারীরা হিজাব পরায় সড়কে ও কর্মস্থলে হেনস্থার স্বীকার হন। একটি দেশ হিসেবে যার বিদেশে ৬৫ লাখ নাগরিক রয়েছে, যারা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও হা’মলার শিকার হচ্ছে, আমরা এ বিষয়টি উপেক্ষা করতে পারি না।

সংবাদমাধ্যম ও রাজনীতিবিদরা জনপ্রিয়তা বাড়াতে ঘৃণা চর্চা ছড়াচ্ছেন, এদের কারণে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে, এটাকে (বিদ্বেষমূলক বক্তব্য) তারা বাকস্বাধীনতা হিসেবে অভিহিত করছেন। ভারতে মুসলিমদের ওপর হা’মলার বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।

তিনি ভারতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে স‘হিংসতার নিন্দা জানান। যারা গরুর মাংস খান ও তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর শ্রদ্ধা জানাতে ভারতকে আহ্বান জানান। এরদোগান বলেন, ভারতে আমরা কীভাবে মুসলিম যুবকদের রক্ষা করব, যাদের বেত্রাঘাত করা হচ্ছে, চাপাতি দিয়ে কোপানো হচ্ছে, এমনকি গরুর মাংস খাওয়ার দায়ে মৃ’ত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, হিন্দু ধর্মের জন্য গরুকে পবিত্র ধরা হয়।

হিন্দু জাতীয়বাদীরা মুসলিম গরুর মালিকদের ওপর হা’মলা করছে। বিভিন্ন উদীয়মান গোরক্ষা গোষ্ঠীর নামে এসব করা হচ্ছে। এরদোগান তার বক্তব্যে কাশ্মীরের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কাশ্মীর একটি মুক্ত কারাগারে পরিণত হয়েছে এবং এখানকার বাসিন্দারা কারাগারে রয়েছেন।

তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সব (বিদেশি) রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর পরে। এ সময় তিনি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অবস্থান থেকে সবাইকে সক্রিয় হতে আহ্বান জানান। ইসলামের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, ইসলামকে, শান্তির ধর্মকে স’ন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত করা একটি অনৈতিক অপবাদ।

এটি অগ্রহণযোগ্য তিনি বলেন, আমরা ইসলামফোবিয়া, বর্ণবাদ এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে লড়াই করার সব চেষ্টা চালিয়ে যাব।

মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামি প্রতিরোধ শক্তির বিস্ময়কর উত্থান !

বাংলাদেশ সময় ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ শক্তি ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ শক্তি আমেরিকা এবং তাদের মিত্র সৌদি আরব ও দখলদার ইসরাইলের শত্রুতামূলক নীতির কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনা ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

এর মোকাবেলায় এ অঞ্চলে গড়ে উঠেছে ইসলামি প্রতিরোধ শক্তি। শত ষড়যন্ত্র ও প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরোধ শক্তিগুলোর অবস্থান কোন পর্যায়ে রয়েছে এবং তারা কি ধরণর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছে সেটাই এখন প্রধান প্রশ্ন। গত প্রায় নয় বছরে পশ্চিম এশিয়ায় তিনটি দেশে বিপর্যয়কর ঘটনা ঘটেছে।

সিরিয়ার বিরুদ্ধে যু’দ্ধ ও ষড়’যন্ত্র, ইরাকের বিরুদ্ধে দায়েশকে লেলিয়ে দেয়া এবং ইয়েমেনের বিরুদ্ধে রক্ত’ক্ষয়ী যু’দ্ধ। এসব যু’দ্ধে ওই তিনটি দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এই দেশগুলোতে এতোবড় সংকট চাপিয়ে দেয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে তারা অশুভ শক্তির সঙ্গে আপোষের বিরোধী এবং শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো দখলদার ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। কিন্তু ইরান, ইরাক, সিরিয়া, লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলো ও ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ সংগঠন আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা এ অঞ্চলের মুক্তিকামী মানুষের আশা-ভরসার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

পশ্চিম এশিয়ায় গড়ে ওঠা প্রতিরোধ শক্তিগুলোকে নির্মূল কিংবা দুর্বল করার জন্য গত নয় বছরে বহু ষড়যন্ত্র হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ইরাক ও সিরিয়াকে দুর্বল করার জন্য উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছিল। ২০১১ সালের পর দখলদার ইসরাইল ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চারটি যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

অন্যদিকে ইসরাইলের বন্ধু রাষ্ট্র সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন বাহিনী ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে আসছে। সৌদি আরব ও তার মিত্রদের প্রধান লক্ষ্য ইয়েমেনের জনপ্রিয় আনসারুল্লাহ সংগঠনকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা। কিন্তু এতোসব ষড়যন্ত্র, রক্তপাত ও হ’মলা সত্বেও এ অঞ্চলের প্রতিরোধ শক্তিগুলো দুর্বলতো হয়নি বরং আগের চেয়ে আরো জোরদার হয়েছে।

এর প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই প্রথমত, বিশাল অঞ্চল জুড়ে প্রতিরোধ শক্তি প্রভাব বিস্তার করে আছে। এদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এরা দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে যেকোনো আপোষের বিরোধী এবং এ অঞ্চলের দেশগুলোতে আমেরিকাসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলোর হস্তক্ষেপ মেনে নিতে রাজি নয়।

দ্বিতীয়ত, ইসরাইল ও আমেরিকার আধিপত্যবাদ বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলো পশ্চিম এশিয়ায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছ। ইরানের পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক গবেষক মাসুদ আসাদুল্লাহি এ ব্যাপারে বলেছেন, “বর্তমানে একমাত্র প্রতিরোধ শক্তিগুলোই এ অঞ্চলে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব ও শক্তিমত্তা ধরে রেখেছে।

প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর প্রতি সরকারগুলোর সমর্থন রয়েছে এবং এ ঐক্য লেবানন, ইরাক ও সিরিয়াকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে। অন্যদিকে যারা প্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল করতে চেয়েছিল তারাই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তাদের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। এ দেশগুলোতে শত্রুরা যে জায়গা করে নিয়েছিল তাও হাত ছাড়া হয়ে গেছে।

তাই বলা যায়, প্রতিরোধ শক্তিগুলো যদি এগিয়ে না আসত তাহলে আজ আমরা পশ্চিম এশিয়ার ভিন্ন চিত্র দেখতে পেতাম।” পশ্চিম এশিয়ায় ইসরাইল-মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ শক্তির আত্মপ্রকাশের তৃতীয় প্রভাব হচ্ছে, আমেরিকা, ইসরাইল ও সৌদি জোট এবং তাদের সামরিক শক্তি ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে।

পাশ্চাত্যের বৃহৎ শক্তিগুলোসহ কয়েকটি আরব দেশের সর্বাত্মক সমর্থন পেয়েও দায়েশ সন্ত্রাসীরা পরাজিত হয়েছে এবং ইরাক ও সিরিয়ার সরকার ও প্রতিরোধ যোদ্ধারা বিজয়ী হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেন যুদ্ধেও কোনো সাফল্য পায়নি। বরং বর্তমানে আনসারুল্লাহ সংগঠন ও তাদের মিত্রদের ছাড়া ইয়েমেনকে কল্পনা করা যায় না।

২০১৪ সালে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের ৩৩ দিনের যুদ্ধে, ২০১৮ সালে চার দিনের যুদ্ধে ও ২০১৯ সালে দুই দিনের যুদ্ধে ইসরাইলের ক্ষে’পণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা আয়রন ডোম ফিলিস্তিনিদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এতোসব ব্যর্থতার পর আমেরিকা ও সৌদি আরব এখন প্রতিরোধ শক্তির বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে লিপ্ত হয়েছে।

তারা ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে তাদেরকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। পশ্চিম এশিয়ায় ইসরাইল-মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ শক্তির আত্মপ্রকাশের চতুর্থ প্রভাব হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বহু বিশ্লেষক মনে করেন,

আমেরিকা ও তার মিত্ররা প্রতিরোধ শক্তির মোকাবেলায় তাদের দুর্বলতা ঢাকার জন্য দায়েশের মতো বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্ম দেয়। কিন্তু এতেও তাদের লাভ হয়নি বরং প্রতিরোধ শক্তির ছায়া তলে এ অঞ্চলের মুক্তিকামী জাতিগুলো আরো ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, আমেরিকা ও তার মিত্রদের সহায়তায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মোকাবেলা করতে গিয়ে ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ শক্তিগুলো মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।

পশ্চিম এশিয়ায় ইসরাইল-মার্কিন বিরোধী প্রতিরোধ শক্তির আত্মপ্রকাশের পঞ্চম প্রভাব হচ্ছে, গত নয় বছরের ঘটনাবলীতে প্রমাণিত হয়েছে, প্রতিরোধ শক্তিগুলো যুদ্ধ ও মৃত্যুকে ভয় পায় না বরং তারা শত্রুর মোকাবেলা করাকে জিহাদ এবং মৃত্যুবরণকে শাহাদাতের মর্যাদা লাভের সুযোগ বলে মনে করে। এ কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের চাইতেও প্রতিরোধ যোদ্ধাদের দৃঢ় মনোবল ও ঈমানি শক্তিকে শত্রুরা বেশী ভয় পায়।

নাসরুল্লাহর নেতৃত্বে লেবাননের হিজবুল্লাহ সংগঠন পশ্চিম এশিয়ায় প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। ইসরাইলের গণমাধ্যমগুলো নাসরুল্লাহর কথিত অসুস্থতাসহ নানান মিথ্যা খবর প্রচার করে এ সংগঠনের সদস্যদেরকে মানসিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু হিজবুল্লাহ মহাসচিবের বিচক্ষণতার কারণে মিথ্যা প্রচার চালিয়েও তারা এ

পুলিশের ছত্রছায়ায় দেশ ছেড়ে পালিয়েছে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের ৩০০ নেতাকর্মী

পুলিশের ছত্রছায়ায় দেশ ছেড়ে পালিয়েছে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের ৩০০ নেতাকর্মী

রাজনীতির নামে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, পেশিশক্তির প্রয়োগসহ যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই ধারাবাহিকতায় চলছে শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপকর্ম করে দলের ইমেজ ক্ষুণ্নকারী নেতাকর্মীরা আছেন ‘দৌড়ের ওপর’।

ছাত্রলীগের শোভন-রাব্বানীর পদত্যাগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, জি কে বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী ‘যুবলীগ নেতা’ গোলাম কিবরিয়া শামীমকে গ্রেফতারের মাধ্যমে শুদ্ধি অভিযান শুরু হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগের বিতর্কিত, অপকর্মকারীদের শাস্তি দিয়ে দলকে শুদ্ধ করা হবে।

এ অবস্থায় শুদ্ধি অভিযান এড়াতে বিদেশে গিয়ে অবস্থান করছেন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অন্তত ৩০০ নেতাকর্মী। এছাড়া এই মুহূর্তে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন সমসংখ্যক নেতাকর্মী। আবার অনেকে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

রাজধানীর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো চালানো নিয়ে বিতর্কে আসা ক্লাবের সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাউসার বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ক্যাসিনো বিতর্কে জড়িত আরেক নেতা ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক সাঈদ পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরছেন না।

এরই মধ্যে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত জি কে শামীম, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য কলাবাগান ক্রীড়াচক্র সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজকে শুক্রবার নগরীর কলাবাগান এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গ্রেফতার হতে পারেন এমন আলোচনা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সম্রাটও গা ঢাকা দিয়েছেন।

নানা অপকর্মের তথ্য উঠে আসে ২০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, যুবলীগের প্রভাব খাটিয়ে শাহাবুদ্দিন এখন শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। তার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া ও বঙ্গবাজারের পাঁচটি মার্কেট।

গুলিস্তানের ব্যবসায়ীদের কাছে যুবলীগ নেতা এখন এক আতঙ্কের নাম। বিভিন্ন মার্কেটের অবৈধ জায়গায় দোকান স্থাপন করে তিন-চারজনের কাছে বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের আলী আহম্মেদের ডান হাত হওয়ায় ওই ক্লাবের ক্যাসিনো কারবারের টাকার ভাগও যেত তার পকেটে। প্রতিদিন শাহাবুদ্দিন ২০ হাজার টাকা পেতেন মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্রের ক্যাসিনোর বোর্ড থেকে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের মার্কেটের দোকান বরাদ্দ নিয়েও নানা কারসাজির অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনের ট্রান্সফরমারও বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধেও নেতাকর্মীদের নানা অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি থানার পদপ্রত্যাশী নেতা বলেন, মহানগরের প্রত্যেকটি থানায় কমিটি দেওয়ার নামে কোটি টাকার উপরে টাকা নিয়েছেন মেহেদী। কিন্তু দীর্ঘদিনেও কমিটি দেওয়ার কোনো নাম নেই।

এদিকে ছাত্রলীগের অনেক নেতা বিয়ে করে সংসার করছেন। কিন্তু তারপরও স্বপদে বহাল রয়েছেন। দক্ষিণ খান থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জোবায়ের হোসেন সৌরভ সংগঠনের নেতাদের সবাইকে দাওয়াত দিয়ে বিয়ে করেছেন। তুরাগ থানার সভাপতি শফিকুর রহমানও বিবাহিত।

এছাড়া তুরাগ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হাসানের নামেও অভিযোগের পাহাড়। সাউদার্ন গার্মেন্ট, আইএফএল গার্মেন্টস, সাইফ টেকসহ স্থানীয় ১৫টি গার্মেন্টস থেকে চাঁদা তোলা, প্রায় তিন হাজার অবৈধ ব্যাটারি চালিত রিকশা পরিচালনা করে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন, ১৩ নং সেক্টরে রাজউকের জায়গায় অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দেওয়াসহ মাদক ব্যবসায় ছত্রছায়া দান করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় তিনশ নেতাকর্মী দেশের বাইরে চলে গেছেন। যারা দেশে আছেন তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ। নতুন নম্বর দিয়ে গুটি কয়েক পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কার্যালয়েও নেই নেতাকর্মী। অনেক কার্যালয়ের তালাও খোলা হচ্ছে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন ত্যাগী নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে সারাবাংলাকে জানান, বিএনপি জামায়াত থেকে এসে যারা এত দিন দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলে তাদের অ্যাকশন নেওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। কারণ এই অল্প সংখ্যক নেতার কারণে পুরো দলের বদনাম। ওদের বিরুদ্ধে কঠিন অ্যাকশন নেওয়া হোক এমন দাবি তাদের।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি তারা সবাই অপরাধে জড়িত নই। সামান্য কয়েকজনের কারণে দলের বদনাম হচ্ছে। অপকর্মকারী নেতারা দলে না থাকলেও দলের সামান্য ক্ষতি হবে না।’

অপর একজন নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না। তিনি জনগণের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে কঠোর হয়ে অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। দলে এসব অপকর্মকারীদের উৎখাত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ রকম কঠোর সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই।’

চলমান অভিযান বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্নীতি, মাদক ব্যবসা, টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে যে অভিযান শুরু হয়েছে তা চলবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিমান বন্দরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে গেছেন, যতবড় গডফাদার হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এ অভিযান চলতে থাকবে।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘দুর্নীতির দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে এ অভিযান শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয় বরং সারাদেশে চলবে। যারা মদ, জুয়ার আসর বসিয়ে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ।’

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ সারাবাংলাকে বলেন, ‘এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান পর্যবেক্ষণ করছেন তারা। ফৌজদারি অপরাধে কেউ গ্রেফতার হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান চলছে। এ অবস্থায় নেতাকর্মীরা কে কোথায় আছেন তা বলা মুশকিল।’

সারাবাংলা

ক্যাসিনো চলছে, প্রশাসন জানে না এমন হতে পারে না: অর্থমন্ত্রী

সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি নিয়ে মুখ খুললেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।তিনি বলেন, ‘দেশে এমন কিছু হওয়ার সুযোগ নেই, যা প্রশাসন জানে না। এমন কোনো কাজ বাংলাদেশে হতে পারে না। এসবের সঙ্গে কেউ না কেউ কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকতে পারে।’মঙ্গলবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে নিরাপদ সড়ক বিষয়ে এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ক্যাসিনোতে অভিযান চালানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলার পরই এ অভিযান, এ ট্রেডিশনটা কেমন- এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়। আমার বিশ্বাস, আমরা যে এখানে মিটিং করছি, এটাও প্রশাসন জানে। ওটাও (ক্যাসিনো) প্রশাসনের জানা উচিত ছিল। তারা যদি না জেনে থাকে, তাহলে তারা অবশ্যই এক্সপ্লেইন করবেন।’

তিনি বলেন, প্রশাসন জানে না এমন কোনো কাজ বাংলাদেশে হতে পারে না। এর সঙ্গে কেউ না কেউ কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকতে পারে। থাকতে পারে আমি বলছি। তাদের যে রেসপনসিবিলিটি তা অ্যাবজর্ব করতে পারবে না। সেখান থেকে তারা কেউ বেরিয়ে আসতে পারে না।risingbd.com

৬ মাস পর মন্দিরের চোরাই মালামালসহ পূজারী গ্রেফতার

সন্দেহের তীর মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতির দিকে৬ মাস পর মন্দিরের চোরাই মালামালসহ পূজারী গ্রেফতার বরিশালের আগৈলঝাড়ার গৈলা ইউনিয়নের পূর্ব পতিহার গ্রামে সরকার বাড়ি রাঁধা গোবিন্দ মন্দির ভাঙচুর, প্রতীমার স্বর্ণালঙ্কার ও প্রণামীর টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চুরির মামলায় ওই মন্দিরের পূজারী আরতী রানী শীলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত ১৯ এপ্রিল রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ৬ মাস পর মন্দির সংলগ্ন বাড়ির পূজারী আরতীর ঘর থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে স্টিলের ৫০টি থালা উদ্ধার করে পুলিশ।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন জানান, গত ১৯ এপ্রিল রাতে কে বা কারা রাঁধা গোবিন্দ মন্দির ভাঙচুর, প্রতীমার স্বর্ণালঙ্কার ও প্রণামীর টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চুরি করে। এ ঘটনায় মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি পরান শীল পরদিন থানায় একটি চুরির মামলা করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের সূত্র ধরে মঙ্গলবার দুপুরে ওই মন্দিরের পূজারী আরতী রানীর ঘরে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ৫০টি স্টিলের থালা উদ্ধার করে। পরে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরতীকেও গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মন্দির কমিটির সভাপতি ও মামলার বাদীর নির্দেশে চুরি করার কথা পুলিশকে জানিয়েছেন। পুলিশ তার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। তাকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। আপাতত আরতীকে আদালতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন ওসি।

রাজতন্ত্র কায়েম করে ১০ বছরে ৩০০০ কোটি টাকার মালিক আওয়ামীলীগের এমপি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব

রাজতন্ত্র কায়েম করে ১০ বছরে ৩০০০ কোটি টাকার মালিক আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব

চরফ্যাশন প্রতিনিধি, বাংলাদেশ: চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলাকে রাজতন্ত্র কায়েম করে ৩০০০কোটি টাকার মালিক আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। ২০০৭সালে জ্যাকব ইস্টার্ন ব্যাংক দিলকুশা শাখা থেকে পাঁচ লাখ টাকা পারসোনাল লোন চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরি না থাকায় ইস্টার্ন ব্যাংক তাকে লোনটি দেয়নি, দৌড় জাপ করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচীত হওয়ার পর থেকে তাকে পিছনে তাকাতে হয়নি,লোবিং করে উপমন্ত্রীও হয়ে যান।

চরফ্যাশন ও মনপুরা সকল কাজ তার নিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়ে প্রায় ৫০০০কোটি টাকার কাজ করান, এবং তার রাজতন্ত্র কায়েম করার জন্য বিএনপি,জামায়েতের পোস্ট দারী নেতাদের চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায় গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখেন। নেতা কর্মীদের কাছ থেকে ঠিকাদারি কাজ দেওয়ায় নামে অফিস খরচ হিসাবে ১৫%থেকে ২০%টাকা নিতেন।

জোর জুলুম করে গরীব মেহনতী মানুষের জায়গা দখল করে নাম মাএ টাকা মূল্য দিয়ে গড়ে তুলেছেন বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে খামারবাড়ি, বিভিন্ন বেনামে তার রয়েছে ২৫টি ইটের ভাটা। ঢাকায় মিরপুরে গড়ে তুলেছেন আলিশান পাঁচ তারকা মানের বাড়ি। মধুমতি ব্যাংকের ৪০%শেয়ারের মালিক। মালশিয়া,কানাডা,অস্ট্রেলিয়া রয়েছে তার বাড়ি,।

উপমন্ত্রী থাকা অবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনের তহবিল থেকে বিভিন্ন উপজেলায় ফান্ড দেওয়ার নামে ২০%করে কোটি কোটি টাকা নিয়েছেন। চরফ্যাশন জেলা পরিষদের মার্কেট দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। চরফ্যাশন পৌরসভা মার্কেট দেওয়ার নামে অগ্রিম কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার বউয়ের নামে শালার নামে গড়েছেন বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি। গাজীপুরে গড়েছেন তার বিশাল ইন্ডাস্টী। তার যাতায়াতে বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা সে হেলিকপ্টারে খরচ করে।

একাদশ জাতীয় সাংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন ঢাকা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আ.ক.ম.জামাল, তার কাছ থেকে জানতে পারি জ্যাকবের অধিপত্যে বিস্তার করে তার ছোট ভাই সৌরভ প্রায় ১০০০কোটি টাকার মালিক, এবং জ্যাকবের ক্যাডার ইমন মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রণ করে প্রায় বিশ কোটি টাকার মালিক, বর্তমানে সে হেলিকপ্টারে আসা যাওয়া করে। জ্যাকবের অন্যতম ক্যাডার কুতুব জাহানঙ্গীর চরফ্যাশনে গড়ে তুলেছেন রাজপ্রাসাদ।

সরকারি টয়লেট বাদে সকল প্রতিষ্ঠান গড়েতুলেছন তার বাবা, মা, বউ এবং নিজ নামে। চরফ্যাসনকে কায়েম করছেন রাজতন্ত্রে। সাধারন দলের ত্যাগী কর্মীরা আজ কোনঠাসা। তাদের বুকে রয়েছে চাপা কান্না। চরফ্যাশন ও মনপুরা বাসী এই জুলুম রাজত্ব থেকে মুক্তি চায়। চরফ্যাশন ও মনপুরার সাধারণ মানুষ আজ জিম্মি। তার ব্যাক্তিগত সহকারী শরীফও প্রায় ১০০কোটি টাকার মালিক। তার ব্যক্তিগত সহকারীকে আইনের আওতায় আনা হলে জ্যাকবের অানেক সম্পদের রহস্য জানা যাবে।banglarpran.com