ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

যে নায়িকা জিকে শামীমের টাকা দিয়ে চলচ্চিত্র প্রযোজনা করতেন!

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৫ ১৯:০৯:০৯ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৫ ১৯:০৯:০৯

গত শুক্রবার আটক হন রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবে পরিচিত যুবলীগ নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম। আটক হয়েছেন আরও বেশ ক’জন। তাদের পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।সেই জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে মুখ খুলছেন আটক ক্যাসিনো সাম্রাজ্যের প্রভাবশালীরা। তারা পুলিশকে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছেন। বেরিয়ে আসছে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ক্লাবের নাম। তালিকায় আসতে পারেন শোবিজের বেশ ক’জন নারী তারকাও।

ফিল্মপাড়া বলে খ্যাত কাকরাইল পাড়া। তারই আশপাশে মতিঝিল, আরামবাগ, ফকিরাপুলে জুয়া ও ক্যাসিনোর অবাধ সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হয়েছে। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, বেশকিছু ক্যাসিনোতে যাতায়াত ছিলে অনেক উঠতি মডেল ও অভিনেত্রীর।বেশকিছু গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে, টেন্ডার বাগিয়ে আনতে উঠতি মডেল ও নায়িকাদের ব্যবহার করতেন গ্রে’প্তার হওয়া ঠিকাদার জি কে শামীম। আরও অনেক নেতা ও প্রভাবশালীই তাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন বড় কাজ ভাগিয়ে নেয়ার জন্য। অনেক মডেল ও নায়িকারা আবার এসব নেতা-ব্যক্তিদের বান্ধবী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। সেই সম্পর্কের প্রভাব খাটিয়েছেন তারা শোবিজে।

গণমাধ্যম বলছে, কখনও কখনও ব্যক্তিগতভবেই ঢালিউডের এক নায়িকা শামীমের বিদেশ যাত্রার সঙ্গী হতেন। এই নায়িকা অভিষেকেই শ্রেষ্ঠ নবীন শিল্পী হিসেবে পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন লাভ করেন।শামীমের সঙ্গে পরিচয়ের পর দ্রুত ভাগ্য পরিবর্তন হতে থাকে এই মেয়ের। শামীমের দরবারের আর্শীবাদের বদৌলতে রাতারাতি বদলে যায় তার আর্থিক অবস্থা। এই নায়িকা গুলশানে একটি ফ্যাশন হাউজ ও ধানমন্ডিতে একটি রেস্টুরেন্টের মালিক হয়েছেন। পাশাপাশি হয়েছেন প্রযোজক। এর আগেও তার প্রযোজনার টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।ডেন্টাল কলেজের প্রাক্তন এই ছাত্রী অভিনয় ছাড়াও ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় আত্মপ্রকাশ করেন প্রযোজক হিসেবে। অভিনয় করেছেন ভোজপুরি চলচ্চিত্রেও। পাঁচটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই নায়িকা।

দোষ স্বীকার করে নিয়ে ভারত বধের ছক কষছেন মাহমুদুল্লাহ

বিশ্বকাপ থেকে টানা ব্যর্থ টিম বাংলাদেশ, হেরেছে নবাগত আফগানিস্তানের কাছে একমাত্র টেস্টেও। ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরুটা আশানুরূপ হয়নি, গতকাল (২৪ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে মাঠের ক্রিকেটে জিততে পারলে হয়তো দেশের ক্রিকেটে ফিরতো কিছুটা স্বস্তি।

বৃষ্টিতে পন্ড হওয়া ম্যাচে শিরোপা হয়তো ভাগাভাগি হয়েছে ,মোটের উপর দলের পারফরম্যান্সে কতটা সন্তুষ্ট টাইগাররা? দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদও স্বীকার করে নিয়েছেন নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারেননি।

ফাইনাল ম্যাচের সংবাদ সম্মেলনে এসে নিজের এবং দলের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করেন তিনি।

‘টেস্টে অবশ্যই হতাশাজনক ছিল। কারণ আমি শতভাগ বিশ্বাস করি যে আমাদের দল এরচেয়ে ভালো খেলতে পারে এবং সামর্থ্য আছে। টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার পর যখন নিজেদের মধ্যে কথা হলো তখন চিন্তা করলাম যে, না আমাদের শক্তভাবে ফিরতে হবে। এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রথম ম্যাচটি হেরে যাই। আমরা সব মিলে কিছুটা ব্যাক-ফুটে ছিলাম সত্যি বলতে। এরপরও সবার ভেতরে যে স্পৃহাটি ছিল সেটি কাজে দিয়েছে দল হিসেবে। এই জিনিসগুলোর পুনরাবৃত্তি যেন না হয়।’

চট্টগ্রাম টেস্টে ব্যাট হাতে দুই ইনিংস মিলে করেছিলেন মাত্র ১৪ রান। উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র ১টি।

টি-টোয়েন্টি সিরিজে চার ম্যাচে রান করেছেন ১৪, ৪৪, ৬২ ও ৬। সব মিলে একটি মাত্র অর্ধশত রানের ইনিংস। অথচ তিনিও বোঝেন, তার কাছে দলের চাওয়া কি।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের এই সিরিজটা হতাশায় কাটলেও ফিরে আসতে চান নিজের সেরা ফর্মে। এর জন্য জাতীয় লিগকে লক্ষ্য করেছেন তিনি। কেন না, আগামী নভেম্বরে ভারতের মাটিতে খেলতে হবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ। আছে টি-টোয়েন্টি সিরিজও।

দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলছেন , ‘টি-টোয়েন্টিতে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সম্ভবত আমাদের কিছু কিছু জায়গায় উন্নতির জায়গা আছে। কোচও গতকাল কিংবা তার আগেরদিন প্রেস কনফারেন্সে বলেছিল। আমিও এর সাথে একমত কারণ বেশ কিছু বিভাগ ছিল যেখানে আমরা আরও ভালো করতে পারতাম। কিন্তু আশা করি পরের সিরিজে এসব নিয়ে কাজ করব।’

ত্রিদেশীয় সিরিজ শেষ হল, বিশ্বকাপ থেকে টানা ব্যস্ত সুচীতে থাকা ক্রিকেটারদের অবশ্য মিলছেনা ছুটি। নভেম্বরে ভারত সফর, খেলতে হবে তিন টি-টোয়েন্টির সাথে দুই টেস্ট। এর আগে অবশ্য আছে জাতীয় লিগও , বোর্ডের কড়া নিয়মে এবার কোন অজুহাতে না খেলার উপায় নেই ক্রিকেটারদের। জাতীয় দলের ক্যাম্প ও র্সিরিজ না থাকলে খেলা বাধ্যতামূলক সবারই। ভারত সফরের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে কি করার আছে ?

সাংবাদিকের করা প্রশ্নের জবাবে রিয়াদের জবাব, ‘বেশ কয়টা ম্যাচে ১৩-১৪ ওভার কিংবা ১৫ ওভারের মধ্যেই আমাদের ৬-৭ উইকেট চলে গিয়েছিল। যেটা আসলেই টি-টোয়েন্টির জন্য আদর্শ নয় , এ বিষয়গুলো নিয়ে কোচও কথা বলেছে । সাকিব ও কথা বলেছে, আমরা গ্রুপ হয়েও এসব নিয়ে কথা বলেছি। দিনশেষে আমাদেরও অনেক কিছু করার আছে, অনুশীলনে নিজেকে পরিণত করা। সিদ্ধান্ত নেওয়া বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরী, আপনি কখন কোন বোলারকে ব্যবহার করছেন, নির্দিষ্ট কোন সময়টাতে, টিম কি চাচ্ছে এসব বিবেচনা রাখতে হয়। এ জায়গাটাতে আমাদের উন্নতির জায়গা আছে, আমার মনে হয় ভারতের সাথে যেহেতু খেলা এ প্ল্যানেই আমাদের খেলতে হবে।’