ঢাকা, আজ সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

গ্রে’প্তারকৃতরা আওয়ামী লীগের, আগে কোন দল করত সেটা দেখার বিষয় নয় : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৪ ১১:০০:২০ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৪ ১১:০০:২০

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দলের ভেতরে শুদ্ধি অভিযান চলছে, চলবে। যতদিন স’ন্ত্রাস, মা’দক ও দু’র্নীতি বন্ধ না হবে ততদিন এ অভিযান চলবে। আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘যারা অপরাধী তারা আগে কে কী দল করেছে সেটি বড় কথা না। সেটি আমরা দেখছি না। এখন তারা আওয়ামী লীগের কর্মী, আমরা সে বিবেচনায় তাদের বিচার করছি।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে গেছেন, যত বড় গডফাদার হোক না কেন অপরাধীদের কোনও ছাড়া নেই।

খু’ন, ধ’র্ষণ, টেন্ডারবাজি এসব দু’র্নীতির বিরুদ্ধে সরকার সচেষ্ট আছে। এ সমস্ত ক্ষেত্রে সরকার নির্বিকার থাকবে না। অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী।’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা নিজেদের আড়াল করে রেখেছেন তাদের খোঁজা হচ্ছে।’

যুবলীগ নেতারা গ্রেফতার হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এতে দলের কোনও ধরনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়নি বরং উজ্জ্বল হচ্ছে। বিএনপি যা করতে পারেনি শেখ হাসিনা সরকার তা করে দেখাচ্ছেন।

সুত্র: Insaf24.com

এবার চেক প্রজাতন্ত্রের সাবেক বিশ্ব সুন্দরী মার্কেটা খৃষ্ট ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ !

চেক প্রজাতন্ত্রো সাবেক বিশ্ব সুন্দরী মার্কেটা কোরিনকোভা খৃষ্ট ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং নিজের নাম বদল করে রেখেছেন মরিয়ম। তিনি বলেন, এতদিন খৃষ্ট ধর্মের অনুসারী হিসেবে জীবন যাপনের জন্য আজ তিনি অনুতপ্ত। তিনি জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা ও নিজ দেশ ছেড়ে তিনি দুবাইয়ে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে নারীকে দেয়া অধিকার ও মর্যাদা তাকে এই ধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ব্যাপারে তিন বছর ধরে চিন্তাভাবনা করছিলেন বলেও জানান তিনি। দুবাইয়ে এক প্রকাশ্য ঘোষণার মাধ্যমে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কথা জানান।

লন্ডনে আরব জার্নাল ‘আল কুদস আল আরাবিয়ায়’ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী একজন আন্তর্জাতিক বিখ্যাত প্রোডকাশন ডিজাইনার, সুপার মডেল ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মার্কেটা কোরিনকোভার এই ঘোষণা তার ভক্ত-অনুরাগীদের বিস্মিত করেছে।

২০১২ সালে ইটালীতে অনুষ্ঠিত বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় তিনি মিস ইউনিভার্স নির্বাচিত হন এবং এরপর তিনি আন্তর্জাতিক লাইমলাইটে চলে আসেন। অনেক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। অল্পসময় পরেই তিনি একজন সুপারমডেল হয়ে উঠেন। হলিডডের চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন।

‘এমই লাভ’ ছবিতে তিনি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগের ফিল্ম একাডেমির পরিচালক পদও লাভ করেন। ডিজাইনার হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিও অর্জন করেন। দুবাইয়ের নামকরা কোম্পানি আলি অ্যান্ড সন্স গ্রুপ কোম্পানি তাকে তাদের সেলস ম্যানেজার হিসেবে তাকে নিয়োগ করে।

প্রাগের চালর্স ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজী সাহিত্যে তিনি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি লন্ডনের রয়েল কলেজ অব আর্ট’র ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যান্ড টিভি স্কুল থেকে প্রোডাকশন ডিজাইনের উপর এমএ করেন। তিনি কিছুদিন বিবিসিতেও কাজ করেছেন। মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব পাওয়ার পর তিনি বিরাট উচ্চতায় উঠে যান। তবে তিনি বলেন, সবকিছু পাওয়া সত্ত্বেও তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।

মানসিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে তিনি সবকিছুই পরীক্ষা করেছেন। তিনি মদ্যপানের আশ্রয় নেন, গান-বাজনার দিকে ঝুঁকে পড়েন, জুয়া খেলায় মেতে উঠেন কিন্তু কিছুই তার মনকে শান্ত করতে পারেনি। সে সময় তার এক বন্ধুর পরামর্শে তিন বছর তিনি বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে পড়াশোনা করেন। জন্মগত খ্রিস্টান হিসেবে তিনি খৃষ্টধর্মে মানসিক সান্ত¦না খুঁজে পাননি।

খৃষ্ট ধর্মে ভীতশ্রদ্ধ হয়ে তিনি ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং এতে তার চোখ খুলে যায়। ইসলাম ধর্ম নারীকে যে মর্যাদা দান করেছে তা জেনে তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং এই ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। সংযুক্ত আরব আমীরাতে কিছুদিন থাকার পর তিনি দুবাইয়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ছোটবেলায় তাকে বলা হয়েছিল, ইসলাম ধর্ম নারীদের কোন মর্যাদা দেয়না।

তিনি যখন ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করেন তখন ইসলামের সত্য তার সামনে প্রতিভাত হয়ে উঠে। ইসলামই নারীকে সর্বোচ্চ সন্মান ও মর্যাদা দিয়েছে আর পশ্চিমা বিশ্ব স্বাধীনতার নামে মহিলাদের নিয়ে খেলা করছে। তিনি বলেন, তিনি দুবাইয়ে স্থায়ীভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যাতে আরো বেশী ইসলামী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।

তিনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন যে দীর্ঘদিন ধরে তার মনের মধ্যে একটি বোঝা অনুভব করছিলেন এবং কোন কারণ ছাড়াই তার মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা বিরাজ করছিল। ইসলামের পবিত্র কালেমা পাঠ করার সঙ্গে সঙ্গে মনের সেই অস্থিরতা দূর হয়ে যায়। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি পশ্চিমা পোষাক ত্যাগ করে হিজাব পড়তে শুরু করেন। হিজাব পরিহিত ছবি তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে পোস্ট করেন যা দেখে তার ভক্তরা অবাক হয়।

প্রথমে তারা মনে করেছিল কোন আরব ফ্যাশন শোতে অংশ নেয়ার ছবি তিনি পোস্ট করেছেন। তিনি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং নিজের নাম বদলের কথা ঘোষণা করেন তখন তাদের বিস্ময় আরো বৃদ্ধি পায়।

ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করত : এইচ টি ইমাম

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল, বিএনপি, জামায়াত অথবা শিবির করত বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভা পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এইচ টি ইমাম বলেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদের এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে সবাই একসময় হয় যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত-শিবিরের সদস্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, কাজেই এদেরকে খুঁজে খুঁজে যেহেতু আমরা বের করে ফেলেছি, এ জন্য তাদের পক্ষ হয়ে এতদিন যারা কাজ করছিল তারা চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাদের গাত্রদাহটা ওইখানে।

এতদিন যারা মদদ দিয়েছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, এদের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে। রিমান্ডে দেয়ার পর তথ্য পাওয়া যাবে। সে সব তথ্য নিয়ে বিচার করা হবে যে, কার কার কোথায় সম্পৃক্ততা আছে।এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক বার বার বলেছেন যে, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সে যে পর্যায়েরই হোক না কেন। অতএব এই যে আমাদের নীতি এখানে খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মাঝে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, উপ-কমিটির সদস্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আনিস আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদা চেয়ে মসজিদের কাজ বন্ধ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে শোকজ

চাঁদা চেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ করার অভিযোগে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাকিবকে শোকজ করেছে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগ।শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আকতার ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ রায়হান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোকজের বিষয়টি জানানো হয়।ওই শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগের ওই নেতা রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেকনো ট্রেডের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে বাধা দেন, যা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়।

যদিও চাঁদা চাওয়ার এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কাজী মুশফিকুর রহমান সাকিব।তা সত্ত্বেও এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ও প্রকৃত ঘটনা জানতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারী অস্ত্রসহ ভাইরাল ছাত্রলীগ কর্মী !

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলামকে ভারী অস্ত্রসহ ফেসবুকে একটি ছবিতে দেখা গেছে। নিজেই সামাজিক মাধ্যমটিতে ছবিটি আপলোড করেন তিনি। ইতোমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়েছে।

সাইফুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ছড়ারকুলের আরিফুল ইসলাম বাবুর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি ভারী অস্ত্র নিয়ে সামনের দিকে তাক করে থাকা অবস্থার একটি ছবি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন ‘সাবধান ডাইরেক্ট অ্যাকশন হবে’।

এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ক্যাপশন বদলে দেন তিনি। জানা গেছে, ছবিতে যে অস্ত্রটি তিনি ধরে ছিলেন তা খেলনার। নিছক মজার ছলেই তিনি সেটি হাতে নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। চকরিয়া পুলিশ খেলনা অস্ত্রটি হেফাজতে নিয়েছে।

সাইফুল যেদিন ছবিটি তোলেন সেদিন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাক নিয়ে বিজয় মিছিল করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকরা। বিজয় মিছিলেই অস্ত্র হাতে ছবিটি তোলেন সাইফুল।

এ ব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে যোগযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, ফেসবুকে ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল সাইফুলের হাতে কোনো ভারী অস্ত্র ছিল।

তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে অস্ত্রটিকে খেলনা দাবি করেন তিনি। পরে অস্ত্রটি তিনি থানায় জমা দেন। সেটি এখন থানাতেই হেফাজতে আছে। তিনি আরও জানান, মজা করতেই তিনি ছবিটি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। তাকে সাবধান করা হয়েছে।

ইমরান খানের সম্মানে ক্বাবা শরীফের দরজা খুলে দেওয়া হয়!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সৌদি সফরে যেয়ে ওমরা পালনের ইচ্ছাপোষন করলে তাঁর সম্মানে মুসলমানদের তীর্থস্থান পবিত্র ক্বাবার দরজাকে খুলে দেওয়া হয়। তিনি ক্বাবাগৃহের অভ্যন্তরে নফল নামাজ আদায় করেন। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) সৌদি সফরকালে ইমরান খানের সম্মানে তাঁকে বিশের এ সম্মান প্রদর্শন করেন সৌদি হুকুমত। ওমরা পালন শেষে তিনি মসজিদে নববীতেও গমন করেন। বিশেষভাবে তিনি কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন। সৌদির এ সফরে ইমরান খান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয ও ক্রাউন্ট প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

আবার, কয়েক মিনিটের দূরত্ব অতিক্রম করে সেখানে চাইলেই হানা দিতে পারবে ভারতের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানও। এছাড়া পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদের বিমানঘাঁটিতেও সংস্কারমূলক কাজ চলছে এবং সেখানে সম্প্রতি ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে।আরো সংবাদেনিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি!২০১৩ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।দীর্ঘদিন পর রাতের নীরবতা ভেঙে শুক্রবারা হঠাৎ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরীয়রা। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘সিসি, তুই ক্ষমতা ছাড়’।

কিন্তু আকস্মিক এ বিক্ষোভে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মধ্যপ্রাচ্যনীতিবিষয়ক কেন্দ্রের গবেষক খালিদ এলজিনদি বলেন, সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি দেখে মিসরীয় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে তিনি অস্বস্তিবোধ করছেন।তিনি বলেন, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে, ছোট্ট আকারে হলেও। এমন একটি সরকারের শাসনামালে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যখন ভিন্নমতের প্রতি শূন্যসহনীয় নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর

জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।মিসরের সবশেষ পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতি মিসরীয় জনগণের মনে সিসির বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ রয়েছে তা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।