ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৫ মার্চ ২০২১

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া রাস্তায় ছিনতাইও হয় না: গয়েশ্বর

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৩ ১৮:০৮:১৫ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৩ ১৮:০৮:১৫

ঢাকা- প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া রাস্তায় একটা ছিনতাইও হয় না। তাই শুদ্ধি অভিযান কোনো নাটক কি না তা আগে জানতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দুর্নীতি-দুঃশাসন এবং বর্তমান বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে একটা ছিনতাইও হয় না। প্রধানমন্ত্রী জানে না এমন ঘটনা দেশে ঘটে না। তাই কে কোন নাটকে অভিনয় করছেন সেটা আমাদের বুঝতে কষ্ট হয়। এখন ওবায়দুল কাদের সহযোগিতা চাইছেন, সহযোগিতা আমাদের করার মতো কি আছে? সহযোগিতা একজন করতে পারেন যাকে আপনারা আটকে রেখেছেন। খালেদা জিয়া ১/১১ এর সময় তাদেরকে সহযোগিতা করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার ডায়েরিতে আছে যিনি অন্যায়কে অন্যায় বলতে পারেন। সেখানে রাজনীতির গুরুত্ব তিনি দেন না।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘‘হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘নেতিবাচক কথা বলবেন না, প্রশংসা করুন’। আমরা অবশ্যই প্রশংসা করবো, যারা এই চলমান প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখবে। তিনটি লোককে গ্রেফতারের মধ্যদিয়ে লাখখানেক লোককে যদি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়, সেক্ষেত্রে আমরা অসহায়। সেখানে আমরা প্রশংসা করতে পারবো না।’’

তিনি বলেন, ‘এদেরকে আইনের আওতায় এনে, এদের থেকে প্রাপ্ত অর্থ যদি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যায়, অবশ্যই ধন্যবাদ দেবো। কিন্তু প্রশ্ন হলো— এটা কি সরকারের উদ্যোগ, নাকি দেশপ্রেম থেকে দুঃসাহসিকভাবে উদ্যোগ। এই গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে যারা দুর্নীতির লাগাম ধরতে চান, তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। তাদেরকে সহযোগিতা করার সদিচ্ছা আমাদের আছে। কিন্তু সরকারের নাটকের অংশ হিসেবে যদি হয়, তাহলে আমরা কোনও সহযোগিতা করতে পারবো না।’

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, ‘‘ওবায়দুল কাদের এটাকে বলছেন, ‘ইমেজ রিকভারি’। তার মানে হলো পচন ধরছে— এন্টিবায়োটিক। ওবায়দুল কাদের চাইলে নিজেই নিজেদের সহায়তা করতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছে গ্রেফতারকৃতরা বিএনপি করতো। যদি বিএনপি করে থাকতো সে সময়, তো তাদের পকেটে ১০ টাকাও ছিল না। আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার পরে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে।’’

একটা ক্যাসিনো তৈরি করতে ২-৪ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হয় এমনটি দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, ‘এই পানের দোকানে, একটা ঘরের মধ্যে এগুলো ক্যাসিনো না। এগুলো এক ধরনের ফটকাবাজি এবং টাকাগুলোকে এক জায়গায় নেওয়া। এছাড়া, আর কিছুই না। যাদের ধরা হয়েছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দা বাহিনীর হয়তো বিব্রত বোধ করছে অনেকের নাম চলে আসায়। আমি অনুরোধ করবো, প্রত্যেকের নাম পত্রিকার পাতায় ছাপিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। জনগণ এগুলো জানতে পারলে আপনাদের পাশে থাকবে।’

সরকার পদত্যাগ করেও সহযোগিতা করতে পারে এমন দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে খারাপ লোক আছে, কিন্তু ভালো লোকের তো অভাব নাই। তারা যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, তাহলে জনগণকে দুর্নীতি, দুঃশাসন, লুটপাট, সন্ত্রাস থেকে রক্ষা করতে পুলিশবাহিনী একাই পারবে। যতগুলাই ক্যাসিনো থাকুক এটা কিন্তু জাতির কাছে একমাত্র সংক্রামক ব্যাধি নয়। সারাদেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় আছে। সে কারণে সবচেয়ে ভালো সহযোগিতা হয় আপনারা যদি পদত্যাগ করেন।’

ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করত : এইচ টি ইমাম

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল, বিএনপি, জামায়াত অথবা শিবির করত বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভা পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এইচ টি ইমাম বলেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদের এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে সবাই একসময় হয় যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত-শিবিরের সদস্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, কাজেই এদেরকে খুঁজে খুঁজে যেহেতু আমরা বের করে ফেলেছি, এ জন্য তাদের পক্ষ হয়ে এতদিন যারা কাজ করছিল তারা চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাদের গাত্রদাহটা ওইখানে।

এতদিন যারা মদদ দিয়েছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, এদের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে। রিমান্ডে দেয়ার পর তথ্য পাওয়া যাবে। সে সব তথ্য নিয়ে বিচার করা হবে যে, কার কার কোথায় সম্পৃক্ততা আছে।এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক বার বার বলেছেন যে, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সে যে পর্যায়েরই হোক না কেন। অতএব এই যে আমাদের নীতি এখানে খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মাঝে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, উপ-কমিটির সদস্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আনিস আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদা চেয়ে মসজিদের কাজ বন্ধ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে শোকজ

চাঁদা চেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ করার অভিযোগে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাকিবকে শোকজ করেছে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগ।শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আকতার ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ রায়হান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোকজের বিষয়টি জানানো হয়।ওই শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগের ওই নেতা রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেকনো ট্রেডের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে বাধা দেন, যা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়।

যদিও চাঁদা চাওয়ার এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কাজী মুশফিকুর রহমান সাকিব।তা সত্ত্বেও এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ও প্রকৃত ঘটনা জানতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারী অস্ত্রসহ ভাইরাল ছাত্রলীগ কর্মী !

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলামকে ভারী অস্ত্রসহ ফেসবুকে একটি ছবিতে দেখা গেছে। নিজেই সামাজিক মাধ্যমটিতে ছবিটি আপলোড করেন তিনি। ইতোমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়েছে।

সাইফুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ছড়ারকুলের আরিফুল ইসলাম বাবুর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি ভারী অস্ত্র নিয়ে সামনের দিকে তাক করে থাকা অবস্থার একটি ছবি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন ‘সাবধান ডাইরেক্ট অ্যাকশন হবে’।

এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ক্যাপশন বদলে দেন তিনি। জানা গেছে, ছবিতে যে অস্ত্রটি তিনি ধরে ছিলেন তা খেলনার। নিছক মজার ছলেই তিনি সেটি হাতে নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। চকরিয়া পুলিশ খেলনা অস্ত্রটি হেফাজতে নিয়েছে।

সাইফুল যেদিন ছবিটি তোলেন সেদিন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাক নিয়ে বিজয় মিছিল করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকরা। বিজয় মিছিলেই অস্ত্র হাতে ছবিটি তোলেন সাইফুল।

এ ব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে যোগযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, ফেসবুকে ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল সাইফুলের হাতে কোনো ভারী অস্ত্র ছিল।

তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে অস্ত্রটিকে খেলনা দাবি করেন তিনি। পরে অস্ত্রটি তিনি থানায় জমা দেন। সেটি এখন থানাতেই হেফাজতে আছে। তিনি আরও জানান, মজা করতেই তিনি ছবিটি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। তাকে সাবধান করা হয়েছে।

ইমরান খানের সম্মানে ক্বাবা শরীফের দরজা খুলে দেওয়া হয়!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সৌদি সফরে যেয়ে ওমরা পালনের ইচ্ছাপোষন করলে তাঁর সম্মানে মুসলমানদের তীর্থস্থান পবিত্র ক্বাবার দরজাকে খুলে দেওয়া হয়। তিনি ক্বাবাগৃহের অভ্যন্তরে নফল নামাজ আদায় করেন। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) সৌদি সফরকালে ইমরান খানের সম্মানে তাঁকে বিশের এ সম্মান প্রদর্শন করেন সৌদি হুকুমত। ওমরা পালন শেষে তিনি মসজিদে নববীতেও গমন করেন। বিশেষভাবে তিনি কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন। সৌদির এ সফরে ইমরান খান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয ও ক্রাউন্ট প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

আবার, কয়েক মিনিটের দূরত্ব অতিক্রম করে সেখানে চাইলেই হানা দিতে পারবে ভারতের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানও। এছাড়া পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদের বিমানঘাঁটিতেও সংস্কারমূলক কাজ চলছে এবং সেখানে সম্প্রতি ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে।আরো সংবাদেনিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি!২০১৩ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।দীর্ঘদিন পর রাতের নীরবতা ভেঙে শুক্রবারা হঠাৎ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরীয়রা। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘সিসি, তুই ক্ষমতা ছাড়’।

কিন্তু আকস্মিক এ বিক্ষোভে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মধ্যপ্রাচ্যনীতিবিষয়ক কেন্দ্রের গবেষক খালিদ এলজিনদি বলেন, সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি দেখে মিসরীয় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে তিনি অস্বস্তিবোধ করছেন।তিনি বলেন, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে, ছোট্ট আকারে হলেও। এমন একটি সরকারের শাসনামালে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যখন ভিন্নমতের প্রতি শূন্যসহনীয় নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর

জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।মিসরের সবশেষ পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতি মিসরীয় জনগণের মনে সিসির বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ রয়েছে তা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।