ঢাকা, আজ শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

ইহুদিরা বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের উৎস: ব্রিটিশ লেবার পার্টির নেতা

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৩ ১৭:৩২:৩৫ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৩ ১৭:৩২:৩৫

ইসরাইল ও ইহুদিরা বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের উৎস বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীল করতে সন্ত্রাসী হামলা এবং বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের পেছনে ইসরাইলের হাত রয়েছে।

করবিন বলেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইল এর মধ্যে সমস্যা লাঘবে হামাস ও হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে আলোচনা করলে শান্তি ফিরবে না। শুধু তাই নয়, তার বক্তব্য অনুযায়ী তিনি হামাস ও হিজবুল্লাহ’র সঙ্গে দেখা করেছিলেন এবং তাদের ‘বন্ধু’ও বলেছিলেন। ‘‘আপনি যাদের সাথে একমত হন তাদের সাথে কথা বলার মাধ্যমে আপনি অগ্রগতি অর্জন করেন না।

যদি সমগ্র অঞ্চলে শান্তি অর্জন করতে হয় তবে আপনাকে সকলের অধিকার মোকাবেলা করতে হবে।’’ জেরেমি করবিন একজন বামপন্থি ব্রিটিশ রাজনীতিক। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম জেরেমি বার্নার্ড করবিনের। উইল্টশায়ার কাউন্টির কিংটন সেন্ট মাইকেল নামে ছবির মত এক গ্রামে ছেলেবেলা কাটে তার।

চার ভাইয়ের সবচেয়ে ছোট ছিলেন তিনি। মা ছিলেন শিক্ষক, বাবা ছিলেন প্রকৌশলী। কিন্তু দুজনেই যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের কর্মী ছিলেন। স্কুল ছাড়ার প্রায় পরপরই পোশাক শ্রমিকদের ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হন জেরেমি করবিন। পরে ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেকট্রিকাল ইউনিয়নে এবং ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব পাবলিক এমপ্লয়িজের সাথে যুক্ত হন।

কিন্তু আসল উৎসাহ ছিলো লেবার পার্টি। ১৯৭৪ সালে লেবার পার্টির পক্ষ থেকে উত্তর লন্ডনের হ্যারিংগে কাউন্সিলের নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৮৩ তে লন্ডনের ইজলিংটন এলাকা থেকে লেবার পার্টির হয়ে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন মি. করবিন।

অনেক ব্রিটিশের ধারণা, জেরেমি করবিন কোনোভাবে ব্রিটিনের প্রধানমন্ত্রী হলে ব্রিটেনে ইহুদিরা নিরাপদে থাকেন কিনা সন্দেহ আছে। ধারণা করা হয়, তিনি ইহুদিদের ব্যাপারে ইতিবাচক নন।

জাতিসংঘের কাছে কাশ্মীরি শিশুদের নিরাপত্তা চাইলেন মালালা

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী পাকিস্তানের শিক্ষা অধিকার আন্দোলনকারী মালালা ইউসুফজায়ী ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে স্কুলশিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একাধিক টুইটে শনিবার তিনি বলেন, কাশ্মীরের শিক্ষার্থীরা যাতে নিরাপদে আবার স্কুলে ফিরতে পারে সে বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যেন আলোচনা হয়। খবর দ্যা ডনের।

৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে নিরাপত্তার অভাবে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠাচ্ছেন না।

আগস্টের মাঝামাঝি স্কুল খুললেও দফায় দফায় কারফিউতে উপত্যকার অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই হাজির হতে পারছে না।

ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

লাদাখ ও কাশ্মীরকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে বিল পাস হয়। এই পদক্ষেপ কেন্দ্র করে কাশ্মীরজুড়ে মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। জারি করা হয়েছে বিধিনিষেধ।

সড়কগুলোতে গড়ে তোলা হয় কাঁটাতারের ব্যারিকেড। টেলিফোন, মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় অনেকেই নিজেদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। ৩৯ দিন পর তুলে নেয়া হয় নিষেধাজ্ঞা।

স্কুলগুলো খুলে দেয়া হলেও ভয়ে স্কুলে যাচ্ছে না শিশুরা। এ কারণে প্রাইভেট শিক্ষকদের দ্বারস্থ হচ্ছেন অভিভাবকরা।

কাশ্মীরি যুবক মুনাজা বলেন, আমি আগে থেকেই চাচাতো ভাইবোনদের পড়াতাম। গত কয়েক দিন ধরে বহু অভিভাবক এসে অনুরোধ করছেন তাদের বাড়ি গিয়ে পড়ানোর জন্য।

আসলে পরীক্ষার সময় গেলেও ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানো উচিত হবে কিনা, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারছেন না বাবা-মায়েরা।

২০১৬ সালের জুলাইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে হিজবুল জঙ্গি বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পরও উত্তাল হয়েছিল উপত্যকা। সেই সময়ে লাগাতার অশান্তি ও কারফিউর জেরে প্রায় তিন মাস বন্ধ ছিল স্কুল-কলেজ।

অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, বেশিরভাগ স্কুলের পরীক্ষা শুরু হয় সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। তাই অনেক দিন স্কুল বন্ধ থাকলেও ছেলেমেয়েদের পরীক্ষায় বসতে যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে নজর রাখছেন তারা। এ বছরে এখনও পর্যন্ত পরীক্ষার ফরম দেয়া হয়নি কাশ্মীরের কোনো স্কুলে।

পরীক্ষা ছাড়াই সরকার সব ছাত্রছাত্রীকে পরের ক্লাসে তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।

আগেও ২০০৮, ২০১০ ও ২০১৬ সালে একইভাবে পরীক্ষা না নিয়ে পরের ক্লাসে তুলে দেয়া হয় সব শিক্ষার্থীকে।

নওগাঁমের বাসিন্দা আসিফা জানান, গত মাস থেকেই বাচ্চাদের বাড়িতে পড়াচ্ছেন তিনি। তার মতে, স্কুলে না যাওয়ার যে ক্ষতি, তা অনেকটাই সামলানো যাবে এতে।

ওই গৃহবধূর বক্তব্য, ৫ আগস্ট ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর থেকে স্কুল কেন বন্ধ হয়ে গেল, তা বোঝানো যাচ্ছে না ছোটদের।

তিনি বলেন, আমি নিজের বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করতেই আত্মীয়, প্রতিবেশীরা তাদের ছেলেমেয়েদের পাঠাতে শুরু করেছেন। যদিও এভাবে স্কুলের অভাব মেটানো সম্ভব নয়, তবে দিনের কিছুটা সময়ে ওদের ব্যস্ত রাখা যায়।

এর আগে কাশ্মীরের ‘বিশেষ মর্যাদা’ বাতিল করে এলাকাটিকে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়ার কয়েক দিনের মাথায় মালালা টুইটার পোস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানিয়েছিলেন।

সেই সময় তিনি কাশ্মীর সংঘাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে টুইটারে লেখেন, ‘যখন আমি শিশু ছিলাম, যখন আমার মা-বাবা শিশু ছিল, এমনকি যখন আমার দাদা-দাদি তরুণ ছিল, তখন থেকেই কাশ্মীরের জনগণ বসবাস করছে সহিংসতার মধ্যে।

বিগত সাত দশক ধরে কাশ্মীরের শিশুরা বেড়ে উঠছে মাত্রাতিরিক্ত সহিংসতার মধ্যে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর এক টুইটে মালালা বলেন, ‘আমি আটককৃত ৪ হাজার কাশ্মীরি নিয়ে উদ্বিগ্ন, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। অনেকে ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে স্কুলে যায়নি। অনেক মেয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না।

বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আমি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন সামনে রেখে নেতাদের বলতে চাই- আপনারা কাশ্মীরিদের আওয়াজ শুনুন, সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করুন এবং শিশুরা যেন নিরাপদে স্কুলে ফিরতে পারে সেই সহায়তা করুন।

কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মালালা বলেন, তিনি তিনজন কাশ্মীরি কিশোরীর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা প্রায় একই রকম ছিল। কাশ্মীর একদম নিশ্চুপ। কার সঙ্গে কী হচ্ছে বোঝার কোনো উপায় নেই। পরিস্থিতি সত্যিই অনেক ভয়াবহ।

২০১২ সালে নারী শিক্ষা নিয়ে সরব মালালার স্কুলবাসে উঠে একদল বন্দুকধারী তাকে গুলি করলে এ কিশোরী গুরুতর আহত হন।

এ ঘটনা তাকে বিশ্বজুড়ে নারী শিক্ষা ও মানবাধিকার কর্মীদের অনুপ্রেরণার প্রতীকে পরিণত করে। কাশ্মীর ইস্যুতে টুইটার পোস্টে মালালা আরও লিখেছেন, ‘ভোগান্তি চলমান রাখা আর একে অপরকে আঘাত করার কোনো দরকার নেই আমাদের।

আজকে আমি চিন্তিত কাশ্মীরের নারী আর শিশুদের নিয়ে, কোনো সহিংসতার ক্ষেত্রে যারা সব থেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে এবং সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আশা রাখছি, দক্ষিণ এশিয়ার সব মানুষ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের ভোগান্তির অবসানে তৎপর হবে।

ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করত : এইচ টি ইমাম

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল, বিএনপি, জামায়াত অথবা শিবির করত বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভা পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এইচ টি ইমাম বলেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদের এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে সবাই একসময় হয় যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত-শিবিরের সদস্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, কাজেই এদেরকে খুঁজে খুঁজে যেহেতু আমরা বের করে ফেলেছি, এ জন্য তাদের পক্ষ হয়ে এতদিন যারা কাজ করছিল তারা চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাদের গাত্রদাহটা ওইখানে।

এতদিন যারা মদদ দিয়েছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, এদের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে। রিমান্ডে দেয়ার পর তথ্য পাওয়া যাবে। সে সব তথ্য নিয়ে বিচার করা হবে যে, কার কার কোথায় সম্পৃক্ততা আছে।এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক বার বার বলেছেন যে, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সে যে পর্যায়েরই হোক না কেন। অতএব এই যে আমাদের নীতি এখানে খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মাঝে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, উপ-কমিটির সদস্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আনিস আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদা চেয়ে মসজিদের কাজ বন্ধ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে শোকজ

চাঁদা চেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ করার অভিযোগে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাকিবকে শোকজ করেছে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগ।শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আকতার ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ রায়হান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোকজের বিষয়টি জানানো হয়।ওই শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগের ওই নেতা রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেকনো ট্রেডের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে বাধা দেন, যা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়।

যদিও চাঁদা চাওয়ার এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কাজী মুশফিকুর রহমান সাকিব।তা সত্ত্বেও এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ও প্রকৃত ঘটনা জানতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারী অস্ত্রসহ ভাইরাল ছাত্রলীগ কর্মী !

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলামকে ভারী অস্ত্রসহ ফেসবুকে একটি ছবিতে দেখা গেছে। নিজেই সামাজিক মাধ্যমটিতে ছবিটি আপলোড করেন তিনি। ইতোমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়েছে।

সাইফুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ছড়ারকুলের আরিফুল ইসলাম বাবুর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি ভারী অস্ত্র নিয়ে সামনের দিকে তাক করে থাকা অবস্থার একটি ছবি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন ‘সাবধান ডাইরেক্ট অ্যাকশন হবে’।

এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ক্যাপশন বদলে দেন তিনি। জানা গেছে, ছবিতে যে অস্ত্রটি তিনি ধরে ছিলেন তা খেলনার। নিছক মজার ছলেই তিনি সেটি হাতে নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। চকরিয়া পুলিশ খেলনা অস্ত্রটি হেফাজতে নিয়েছে।

সাইফুল যেদিন ছবিটি তোলেন সেদিন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাক নিয়ে বিজয় মিছিল করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকরা। বিজয় মিছিলেই অস্ত্র হাতে ছবিটি তোলেন সাইফুল।

এ ব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে যোগযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, ফেসবুকে ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল সাইফুলের হাতে কোনো ভারী অস্ত্র ছিল।

তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে অস্ত্রটিকে খেলনা দাবি করেন তিনি। পরে অস্ত্রটি তিনি থানায় জমা দেন। সেটি এখন থানাতেই হেফাজতে আছে। তিনি আরও জানান, মজা করতেই তিনি ছবিটি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। তাকে সাবধান করা হয়েছে।

ইমরান খানের সম্মানে ক্বাবা শরীফের দরজা খুলে দেওয়া হয়!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সৌদি সফরে যেয়ে ওমরা পালনের ইচ্ছাপোষন করলে তাঁর সম্মানে মুসলমানদের তীর্থস্থান পবিত্র ক্বাবার দরজাকে খুলে দেওয়া হয়। তিনি ক্বাবাগৃহের অভ্যন্তরে নফল নামাজ আদায় করেন। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) সৌদি সফরকালে ইমরান খানের সম্মানে তাঁকে বিশের এ সম্মান প্রদর্শন করেন সৌদি হুকুমত। ওমরা পালন শেষে তিনি মসজিদে নববীতেও গমন করেন। বিশেষভাবে তিনি কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন। সৌদির এ সফরে ইমরান খান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয ও ক্রাউন্ট প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

আবার, কয়েক মিনিটের দূরত্ব অতিক্রম করে সেখানে চাইলেই হানা দিতে পারবে ভারতের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানও। এছাড়া পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদের বিমানঘাঁটিতেও সংস্কারমূলক কাজ চলছে এবং সেখানে সম্প্রতি ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে।আরো সংবাদেনিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি!২০১৩ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।দীর্ঘদিন পর রাতের নীরবতা ভেঙে শুক্রবারা হঠাৎ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরীয়রা। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘সিসি, তুই ক্ষমতা ছাড়’।

কিন্তু আকস্মিক এ বিক্ষোভে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মধ্যপ্রাচ্যনীতিবিষয়ক কেন্দ্রের গবেষক খালিদ এলজিনদি বলেন, সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি দেখে মিসরীয় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে তিনি অস্বস্তিবোধ করছেন।তিনি বলেন, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে, ছোট্ট আকারে হলেও। এমন একটি সরকারের শাসনামালে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যখন ভিন্নমতের প্রতি শূন্যসহনীয় নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর

জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।মিসরের সবশেষ পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতি মিসরীয় জনগণের মনে সিসির বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ রয়েছে তা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।