ঢাকা, আজ শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতির নেতৃত্বে হামলায় আহত ছাত্রদলের নেতা-কর্মী ও সাংবাদিক

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৩ ১৭:২৯:১১ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৩ ১৭:২৯:১১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। হামলায় সংগঠনের ৩০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ঘটনাস্থলে থাকা এক সাংবাদিককে মারধর করে তাঁর মুঠোফোন ছিনিয়ে ছিনেছেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে গিয়ে ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন৷ তবে সনজিত দাবি করেন, হামলার বিষয়ে তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা ছিল না৷

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জানান, নেতা-কর্মীদের নিয়ে সকালে মধুর ক্যানটিনে গিয়েছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন৷ সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অব্যাহত হট্টগোলের পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ক্যানটিন থেকে বেরিয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের হাকিম চত্বরে গিয়ে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। এ সময় ১৫-২০টি মোটরসাইকেলে করে সেখানে যান ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। হাকিম চত্বরে আগেই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। সনজিত ও তাঁর অনুসারী নেতা-কর্মীরা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যেতে বলেন। সনজিতের কথায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা টিএসসির স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বর এলাকায় চলে যান। সেখানে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নেতা-কর্মীদের বিদায় দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তেই সনজিতের অনুসারী ৫০-৬০ জন নেতা–কর্মী রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে, সনজিত চন্দ্র দাসের অনুসারী মাস্টারদা সূর্য সেন হল সংসদের ভিপি মারিয়াম জামান খান, কবি জসীমউদ্‌দীন হল সংসদের জিএস ইমাম হাসান, জগন্নাথ হল সংসদের জিএস কাজল সরকার, সূর্য সেন হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাইসুল ইসলাম, স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী আপেল মাহমুদ, কবি জসীমউদ্‌দীন হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী মুহসীন আলম তালুকদারসহ অনেকে হামলায় অংশ নেন৷

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন, ‘ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে দেশীয় অস্ত্র (লাঠি, রড, চাপাতি, রামদা) নিয়ে আমাদের ওপর বিনা উসকানিতে পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় আমাদের ৩০-৪০ জন নেতা-কর্মী আহত হন, যাঁদের ৭-৮ জনের অবস্থা গুরুতর। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির নির্দেশে ও নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। এমনকি আমাদের অনেকের মোবাইল ও মানিব্যাগ পর্যন্ত ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে৷’ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার বিচার ও ছাত্রলীগের নেতা সনজিতের গ্রেপ্তার দাবি করেন ইকবাল হোসেন৷

ইকবাল হোসেনের অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদলের আহত নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নেওয়াজ, ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের প্যানেল থেকে এজিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী খোরশেদ আলম সোহেল, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হল সংসদে ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী মাহবুবুল আলম শাহিন, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী কার্জন মাসুম, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জাকিউল ইসলাম শাহীন, সূর্য সেন হল শাখা ছাত্রদলের নেতা ফিরোজ আলমসহ ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজসহ বিভিন্ন ইউনিটের ৪০ নেতা-কর্মী। তাঁদের মধ্যে ৭-৮ জনের অবস্থা গুরুতর।

এ ছাড়াও ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার এলাকায় থাকা দৈনিক যায়যায়দিনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আনিসুর রহমান ও বিজনেস বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নুরুল আফসারকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নুরুল আফসার তেমন গুরুতর আঘাত না পেলেও আনিসুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি আছেন৷

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের ভেতরে ছিলেন। তাঁর বা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কারও ওপর হামলার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। অতি-উৎসাহী নেতা-কর্মীরা ঘটনাটি ঘটিয়েছেন দাবি করে সনজিত ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন৷

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে যে আচরণ হয়েছে, তা আমাদের ব্যর্থতা বলে মনে করি। সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা দুঃখিত৷’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। লিখিত অভিযোগ এলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷’

ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল-বিএনপি করত : এইচ টি ইমাম

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে ধরা পড়া সবাই একসময় যুবদল, বিএনপি, জামায়াত অথবা শিবির করত বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভা পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এইচ টি ইমাম বলেন, ইতোমধ্যে যাদের ধরা হয়েছে তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী। আপনারা জানেন যে, আমাদের দলে দীর্ঘদিন থেকে একটি দাবি উঠছিল এসব অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের ভয়ানক ক্ষতি করছে। তাদের এখন আমরা চিহ্নিত করেছি। চিহ্নিত করে দেখা যাচ্ছে সবাই একসময় হয় যুবদল করত, না হলে বিএনপি করত, না হলে জামায়াত-শিবিরের সদস্য ছিল।

তিনি আরও বলেন, কাজেই এদেরকে খুঁজে খুঁজে যেহেতু আমরা বের করে ফেলেছি, এ জন্য তাদের পক্ষ হয়ে এতদিন যারা কাজ করছিল তারা চিহ্নিত হয়ে গেছে। তাদের গাত্রদাহটা ওইখানে।

এতদিন যারা মদদ দিয়েছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন তো ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে, এদের রিমান্ডে দেয়া হয়েছে। রিমান্ডে দেয়ার পর তথ্য পাওয়া যাবে। সে সব তথ্য নিয়ে বিচার করা হবে যে, কার কার কোথায় সম্পৃক্ততা আছে।এইচ টি ইমাম বলেন, আমাদের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজেও বলেছেন এবং আমাদের সাধারণ সম্পাদক বার বার বলেছেন যে, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। সে যে পর্যায়েরই হোক না কেন। অতএব এই যে আমাদের নীতি এখানে খুব পরিষ্কার। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা দলকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মাঝে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, উপ-কমিটির সদস্য ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময়, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, আনিস আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদা চেয়ে মসজিদের কাজ বন্ধ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে শোকজ

চাঁদা চেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ করার অভিযোগে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাকিবকে শোকজ করেছে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগ।শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আকতার ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ রায়হান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোকজের বিষয়টি জানানো হয়।ওই শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগের ওই নেতা রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেকনো ট্রেডের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে বাধা দেন, যা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়।

যদিও চাঁদা চাওয়ার এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কাজী মুশফিকুর রহমান সাকিব।তা সত্ত্বেও এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ও প্রকৃত ঘটনা জানতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারী অস্ত্রসহ ভাইরাল ছাত্রলীগ কর্মী !

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলামকে ভারী অস্ত্রসহ ফেসবুকে একটি ছবিতে দেখা গেছে। নিজেই সামাজিক মাধ্যমটিতে ছবিটি আপলোড করেন তিনি। ইতোমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়েছে।

সাইফুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ছড়ারকুলের আরিফুল ইসলাম বাবুর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি ভারী অস্ত্র নিয়ে সামনের দিকে তাক করে থাকা অবস্থার একটি ছবি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন ‘সাবধান ডাইরেক্ট অ্যাকশন হবে’।

এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ক্যাপশন বদলে দেন তিনি। জানা গেছে, ছবিতে যে অস্ত্রটি তিনি ধরে ছিলেন তা খেলনার। নিছক মজার ছলেই তিনি সেটি হাতে নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। চকরিয়া পুলিশ খেলনা অস্ত্রটি হেফাজতে নিয়েছে।

সাইফুল যেদিন ছবিটি তোলেন সেদিন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাক নিয়ে বিজয় মিছিল করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকরা। বিজয় মিছিলেই অস্ত্র হাতে ছবিটি তোলেন সাইফুল।

এ ব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে যোগযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, ফেসবুকে ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল সাইফুলের হাতে কোনো ভারী অস্ত্র ছিল।

তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে অস্ত্রটিকে খেলনা দাবি করেন তিনি। পরে অস্ত্রটি তিনি থানায় জমা দেন। সেটি এখন থানাতেই হেফাজতে আছে। তিনি আরও জানান, মজা করতেই তিনি ছবিটি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। তাকে সাবধান করা হয়েছে।

ইমরান খানের সম্মানে ক্বাবা শরীফের দরজা খুলে দেওয়া হয়!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সৌদি সফরে যেয়ে ওমরা পালনের ইচ্ছাপোষন করলে তাঁর সম্মানে মুসলমানদের তীর্থস্থান পবিত্র ক্বাবার দরজাকে খুলে দেওয়া হয়। তিনি ক্বাবাগৃহের অভ্যন্তরে নফল নামাজ আদায় করেন। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) সৌদি সফরকালে ইমরান খানের সম্মানে তাঁকে বিশের এ সম্মান প্রদর্শন করেন সৌদি হুকুমত। ওমরা পালন শেষে তিনি মসজিদে নববীতেও গমন করেন। বিশেষভাবে তিনি কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন। সৌদির এ সফরে ইমরান খান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয ও ক্রাউন্ট প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

আবার, কয়েক মিনিটের দূরত্ব অতিক্রম করে সেখানে চাইলেই হানা দিতে পারবে ভারতের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানও। এছাড়া পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদের বিমানঘাঁটিতেও সংস্কারমূলক কাজ চলছে এবং সেখানে সম্প্রতি ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে।আরো সংবাদেনিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি!২০১৩ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।দীর্ঘদিন পর রাতের নীরবতা ভেঙে শুক্রবারা হঠাৎ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরীয়রা। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘সিসি, তুই ক্ষমতা ছাড়’।

কিন্তু আকস্মিক এ বিক্ষোভে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মধ্যপ্রাচ্যনীতিবিষয়ক কেন্দ্রের গবেষক খালিদ এলজিনদি বলেন, সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি দেখে মিসরীয় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে তিনি অস্বস্তিবোধ করছেন।তিনি বলেন, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে, ছোট্ট আকারে হলেও। এমন একটি সরকারের শাসনামালে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যখন ভিন্নমতের প্রতি শূন্যসহনীয় নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর

জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।মিসরের সবশেষ পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতি মিসরীয় জনগণের মনে সিসির বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ রয়েছে তা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।