ঢাকা, আজ সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

শুধু মিশরের ব্রাদারহুডের হাতে ক্ষমতা গেলেই মুসলমানরা হবে পৃথিবীর সুপার পাওয়ারের অধিকারী।

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৩ ০৭:২৭:২৪ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৩ ০৭:২৭:২৪

শুধু মিশরের ব্রাদারহুডের হাতে ক্ষমতা গেলেই মুসলমানরা হবে পৃথিবীর সুপার পাওয়ারের অধিকারী।তুরস্ক, পাকিস্তান মিশর সামরিক শক্তিতেতে পৃথিবীর শীর্ষ দশটি দেশের অন্যতম শক্তিশালী দেশগুলোপাকিস্তানের ইমরান খান, তুরস্কের এরদোয়ান মিশরের ব্রাদারহুডের হাতে আবার ক্ষমতা গেলে সারা পৃথিবীর কাফির মুনাফেক সব বাঘ মহিশ একঘাটে পানি খাওয়াতে বাধ্য করা হবে।

বাংলাদেশের ফাঁ’শি হওয়া নিরিহ মজলুম আলেমদের ফাঁশির বদলা, ইরাকের মজলুম মুসলিম সিংহ পুরুষ সাদ্দাম হ’ত্যার বদলা, লিবিয়ার কর্নেল গাদ্দাফির হ’ত্যার বদলা, মিশরের ইখায়াতুল মুসলিম নেতা সাইয়্যেদ কুতুব হাসান আল বান্না, মুসলিম ব্রাদার হুড নেতা এবং আরব বসন্তের সর্বপ্রথম জনগণের ভোটে নির্বাচিত জিন নন্দিত নেতা ড. মুরশির হ’ত্যার বদলা কড়ায় গন্ডায় বুঝিয়ে দেওয়া হবে শয়তানের নাতিদের।
আবার জেগেছে মিশরের কায়রোর তাহেরির স্কয়ার
ফেরাউনের নাতি সিসির পতন করা হবে সৈরাশাসক
হুসনি মোবারকের চাইতেও লজ্জাজনক অপমান সিসির জন্য অপেক্ষায় আছে।

১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সময় জুলুমবাজ রেজাশা পাহলবির মতো লুকিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে নিউইয়র্কে বসে দেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করছে ফেরাউনের নাতি সিসি,পরিস্থিতি এমন যেন হয় নবীদের পদচারণায় ধন্য মিশরের মাটি যেন সিসির শ্মশান হয়।আল্লাহ মিশরের ইসলাম পন্থী দল ব্রাদারহুডের হাতে ক্ষমতা দিয়ে সারা পৃথিবীর সুপার পাওয়ার মুসলমানদের দান করো।
আমিন।

সংগ্ৰহীত :মাহমুদ বান্না থেকে

আরো পড়ুন

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর পরই ইসলাম প্রচারে ব্যস্ত এক জাপানি তরুণ!

বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েই পবিত্র ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করেছেন জাপানি তরুণ কিয়োচিরো সুগিমোটো। জাপানে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে নিরলস পরিশ্রম এবং অসামান্য অবদান রেখে চলছেন তিনি।

বর্তমানে তিনি একজন জাপানি প্রাকটিসিং মুসলিম ও ইসলামের খ্যাতনামা দাআঈ। কিয়োচিরো সুগিমোটো প্রকৃতপক্ষে একজন সেকি, জিফুর অধিবাসী। জাপানের সামুরাই সোর্ড তৈরির জন্য-

বিখ্যাত শহর জিফুর অধিবাসী হলেও বর্তমানে তিনি জাপানের রাজধানী টোকিওর একটি আবাসিক এলাকায় বসবাস করেন। তিনি ইসলাম গ্রহণের অনুপ্রেরণা ও স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‌১৯৯৬ এর দিকে আমি বাংলাদেশে যাই।

বাংলাদেশে মুসলিমদের দয়া ও হৃদয়গ্রাহী আন্তরিকতায় আমাকে মুগ্ধ করে। ইসলামের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশের মুসলমানদের জীবনাচার থেকে ইসলামি শিক্ষার প্রতি ইতিবাচক ধারণা লাভ করি।

ইসলাম গ্রহণের মিশন শুরু… বাংলাদেশের মুসলমানদের আন্তরিকতা ও ইসলামের সুমহান শিক্ষার ইতিবাচক ধারণা লাভের পর কিছুদিন জাপানিজ ভাষায় অনূদিত কুরআন অধ্যয়ন শুরু করেন কিয়াচিরো সুগিমোটো।

জাপানি ভাষায় অনূদিত কুরআন পড়ে ইসলাম সম্পর্কে অনুপ্রেরণা লাভ করেন তিনি। সেখানে আল্লাহ তাআলা ও পরকালের ব্যাপারে সুস্পষ্ট ধারণা পান। সুরা কাসাসের ৮৮ নং আয়াতটিকে নিজের মনে গেথে নেন।

আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো ইলাহকে ডেকো না, তিনি ছাড়া সত্যিকারের কোনো ইলাহ নেই, তাঁর (সত্তা) ছাড়া সব কিছুই ধ্বংসশীল। বিধান তাঁরই আর তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে।’ এ আয়াতে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি ১৯৯৭ সালে ইসলামের সুমহান পতাকাতলে আশ্রয় নেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা আল্লাহকে অমান্য করি, উপেক্ষা করি। অথচ একটি সময় সব কিছু শেষ হয়ে যাবে। আমাদের তার সামনেই দাঁড়াতে হবে।’ দুনিয়ার সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়া, আবার তার কাছে ফিরে যাওয়া এবং-

তার সামনে দাঁড়ানোর বিষয়টিই আমার অন্তরে এক আলোড়ন সৃষ্টি করে। যে প্রতিক্রিয়ায় আমি ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য হই। কিয়োচিরো সুগিমোটো বর্তমানে ইসলামের একজন দাঈ হিসেবে কাজ করছেন।

আন্তর্জাতিক ইসলামি শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা ইরার একজন সদস্য। অবাক করার বিষয় হলো- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের মুসলমানদের দয়া ও হৃদয়গ্রাহী আন্তরিকতায় ইসলামের অনুপ্রাণিত হয়ে কুরআন অধ্যয়ন শুরু করেন।

১৯৯৭ সালে ইসলাম গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি ইসলামের একজন খ্যাতনামা দাঈ হিসেবে আবির্ভূত হন। কিয়োচিরো সুগিমোটোকে আল্লাহ তাআলা দ্বীনের দাঈ হিসেবে কবুল করুন। মুসলিম উম্মাহকে ইসলামের উন্নত চরিত্র নিজেদের মধ্যে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।