ঢাকা, আজ সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

অবশেষে ক্যাসিনো নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২৩ ০৭:২২:৩০ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২৩ ০৭:২২:৩০

সম্প্রতি রাজধানীতে শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান। এই শুদ্ধি অভিযানে ক্যাসিনো বা অবৈধভাবে উপার্জিত কয়েক কোটি টাকা জব্দ করেছে র ্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।জব্দ করা এসব টাকা গ্রাম-গঞ্জের মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

রোববার হবিগঞ্জের ৫ নম্বর শানখোলা ইউনিয়নের বাজেশতং গ্রামে একটি কাঠের ব্রিজ উদ্বোধনকালে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ আহ্বান জানান।ফেসবুক লাইভে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমার নিজ এলাকা হবিগঞ্জের ৫ নম্বর শানখোলা ইউনিয়নের বাজেশতং গ্রাম। গ্রামের মানুষের আবেদন অনুযায়ী এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ করেছি। এ ব্রিজটি উদ্বোধন করতে এসেছি।ক্যাসিনোর জুয়ার ঘরে ১২ কোটি টাকা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্যাসিনোর জুয়ার ঘরে ১২ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। কেউ বলে দেড়শ’ কোটি? কেউ বলে ২০০ কোটি টাকার এফডিআর পাওয়া গেছে। জুয়ার ঘরে এত টাকা পাওয়া যায়! কিন্তু যে জায়গাগুলোতে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে সে জায়গাগুলোর কেউ খবর রাখে না। এটা ভিতরের একটা গ্রাম। এমন জায়গা সাধারণত নেতাদের চোখ পড়ে না। নেতারা এসব জায়গায় আসেন না।

তিনি বলেন, এই ব্রিজটা বানানোর মধ্য দিয়ে একটি কথা বলতে চাই। ক্যাসিনোর টাকা, যেগুলো অবৈধভাবে উপার্জনের টাকা, এ টাকাগুলো কী সরকারের মাধ্যমে গ্রামে-গঞ্জে নিয়ে আসা যায় কি-না।তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন অবৈধভাবে আয় করা এই টাকাগুলো গ্রামে নিয়ে আসা যায় কি-না।

ব্যারিস্টার সুমন বলেন, আমি আমার ব্যক্তিগত জীবনে যদি ২৬টি কাঠের ব্রিজ করতে পারি, আমি চাই যে এভাবে যারা সফল আছেন, তারা নিজেদের জন্মস্থানে গিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেন। এ রকম বহু মানুষের কষ্ট হয়তো ১ লাখ টাকা দিয়ে একটা ব্রিজ বানিয়ে দিয়ে কমানো যাবে।তিনি বলেন, আমি শুধু বলতে চাই আমার নেত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে যারা ধারণ করি, বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত আদর্শকে ধারণ করতে হলে অবশ্যই মানুষের কষ্টে পাশে দাঁড়াতে হবে। পাশে না দাঁড়ালে আপনি যতই বলেন না কেনো আসলে আপনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করেন না।

তিনি আরও বলেন, আজকে ২৬তম ব্রিজ উদ্বোধন করে ২৭তম ব্রিজের জন্য এগিয়ে যাব। যতদিন কাজ করার সক্ষমতা আছে ততদিন মানুষের কষ্টে পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করব। অন্তত নিজের জন্মস্থানটাকে আমি সুরক্ষা দিতে চাই।

আরো সংবাদ

ত্রিদেশীয় সিরিজ: বাদ ‘সুপার ফ্লপ’ সৌম্য, ফিরলেন রুবেল

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের চট্টগ্রাম পর্বের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাদ পড়েছেন বাঁহাতি ওপেনার সৌম্য সরকার, পেসার আবু হায়দার রনি ও তরুণ স্পিনার মেহেদী হাসান।

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ব্যাট হাতে সুপার ফ্লপ সৌম্য। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ৪ রান এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এ ব্যাটার। সঙ্গত কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন তিনি।

এ পর্বে দুটি ম্যাচ খেলবেন টাইগাররা। এ জন্য দলে ডাক পেয়েছেন বাঁহাতি ওপেনার নাঈম শেখ ও লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। এ নিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হলেন তারা।

আর প্রায় এক বছর পর বাংলাদেশ দলের দরজা খুলেছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্তর। তিনি সবশেষ লাল-সবুজ জার্সি পরেন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে। দলে কামব্যাক করেছেন রিভার্স সুইং তারকা রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলাম।

বাংলাদেশের স্কোয়াড

লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, তাইজুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, নাঈম শেখ ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

আরো সংবাদ

যে কারণে রশিদের সঙ্গে বচসা সাকিবের

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৬৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ১২ বলে ১৫ রান করে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দেন তিনি। এমতাবস্থায় আচমকা আফগান স্পিনার রশিদ খানের সঙ্গে বেধে যায় সাকিবের। শুরু হয় দুজনের কথার লড়াই।

তাতে ক্ষতি হয় টাইগারদেরই। মুজিব-উর-রহমানকে তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ হন সাকিব। হয়তো আফগান অধিনায়কের সঙ্গে বচসায় জড়ানোয় মেজাজ হারিয়ে ওভাবে বাজে শট খেলতে যান তিনি। মজার ব্যাপার সাকিবের ক্যাচটি কিনা গিয়ে পড়ে রশিদের তালুতে। স্বাগতিক অধিনায়কের ক্যাচ ধরেই বুনো উল্লাসে মেতে উঠেন আফগান স্পিনার। তার উদযাপনই বলে দিচ্ছিল,দারুণ ‘প্রতিশোধ’ নিয়েছেন!

তা রশিদের সঙ্গে কী নিয়ে বচসায় জড়ায় সাকিব? অবধারিতভাবে সংবাদ সম্মেলনে সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হলো টাইগার অধিনায়ককে। তবে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন সাকিব। তিনি বলেন, তেমন কিছু হয়নি। খেলায় এরকম হয়-ই।জানি না,কী বলব।

আফগানিস্তানের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুজিব। অবশ্য তার কথায় সাকিব-রশিদের কথা-কাটাকাটির কারণ কিছুটা আঁচ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, তেমন কিছুই হয়নি। ওই সময় মোবাইলের আলো নিয়ে আম্পায়ারকে জিজ্ঞেস করেন রশিদ। গ্যালারিতে দর্শকরা তখন মোবাইলের আলো নেভাচ্ছিল আর জ্বালাচ্ছিল।

তবে আরেকটি সূত্র জানায়,গ্যালারিতে দর্শকদের মোবাইলের আলো জ্বালানো ও নেভানোর কারণে আকস্মিক খেলা বন্ধ করে দেয় আফগানিস্তান।আম্পায়াররা রশিদকে জানান, বিষয়টাতে তাদের হাতে নেই। এটা নিয়ে কিছু করা সম্ভব নয়।

সাকিবের ঘোর আপত্তি ছিল এখানেই।গ্যালারিতে মোবাইলের আলো জ্বলা-বন্ধ নতুন কোনো ঘটনা নয়। তার মতে,এ নিয়ে অভিযোগের কিছু নেই। হুট করে খেলা বন্ধ করার কোনো মানে হয় না। রশিদের সঙ্গে এ নিয়েই কথা বলতে যান তিনি। পরে যার চড়া মূল্য দিতে হয় তাকে।

ক্রিকেট মনস্তাত্ত্বিক খেলা। মনোযোগে সামান্য বিচ্যুতি ঘটলেই সর্বনাশ! যেখানে হার সাকিবের, জয় রশিদের।