ঢাকা, আজ শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

বৌদ্ধ ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করলেন খাগড়াছড়ির আথুইমং মারমা

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২২ ১৯:১৮:০৯ || আপডেট: ২০১৯-০৯-২২ ১৯:১৮:০৯

পবিত্র ইসলামের সুমহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরী গ্রামের ৩২ বছরের যুবক আথুইমং মারমা।

রাষ্ট্রীয় হলফানামার মাধ্যমে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তার পূর্ব নাম- আথুইমং মারমা এবং ইসলাম গ্রহনের পর তিনি নতুন নাম হিসেবে বেছে নেন মুহাম্মদ জয়নাল আবেদিন।

ইসলাম গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি ছোট থেকেই মুসলমানদের মাঝে বেড়ে উঠেছি। তাদের সঙ্গে চলাফেরা করেছি এবং বিভিন্ন মাদ্রাসা মসজিদ ও দ্বীনি সংগঠনগুলোর ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছি, বসেছি ও কুরআন ও সুন্নাহর পবিত্র বাণী শুনেছি।

মুসলমানদের সংস্পর্শ ও ইসলামের পবিত্র বাণীর কারণেই ইসলামের প্রতি আমার ভালোবাসা আবেগ ও আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আমি ইসলামের কালেমা পাঠ করে মুসলমান হয়েছি। শান্তির ধর্ম ইসলামে দীক্ষিত হতে পেরে আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি।

আরো সংবাদ

‘ইসলাম আমাকে অপরাধ-জীবন থেকে রক্ষা করেছে’

নীল চোখের শ্মশ্রুমণ্ডিত প্রৌঢ়-ব্যক্তি। নাম রবি মায়েস্ত্রেসি। আট বছর আগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এর আগে তার জীবন কেটেছে অপরাধ-জগতের অন্ধকারে। নতুন জীবনে তার অভিষেক কেমন ছিল, পরবর্তীকালে কোনো বিপত্তির মুখোমুখি হয়েছেন কিনা—এসব নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বহু সাংস্কৃতিক ও বহুভাষিক সংবাদমাধ্যম এসবিএসডটকম.এইউর সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ করেছেন। বাংলানিউজের পাঠকদের তার সেই আলোচনার সংক্ষিপ্ত অনুবাদ।

জন্ম ও বেড়ে ওঠা

আমার জন্ম ১৯৮১ সালে। অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। আমি যখন সাত বছর বয়সে, তখন আমরা আমেরিকায় চলে আসি। আমার বাবা-মা আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন।

বাবা তখন নুমিয়া ও নিউ ক্যালেডোনিয়ায় হোটেল-ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। আর আমেরিকায় মায়ের কিছু বন্ধু-বান্ধব ছিল। আমরা ছুটিতে গিয়েছিলাম। মায়ের তখন একটি কাজ জুটেছিল। কিছুদিন পর মা পুনরায় বিয়ে করেন।

আমরা নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে থাকতাম। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, তখন টিভিতে দেখা অভিনয়ের মতো কিছু ঘটছিল। বাচ্চারা সবাই কেমন ক্ষিপ্ত-মাতাল ও উন্মত্ত হয়ে যাচ্ছিলো। এটি হয়তো অনেক আনন্দের ছিল। তবে ‘ভুল ধরনে’র আনন্দ ছিল।

ধর্ম আমার বেড়ে ওঠার অংশ ছিল। এখনো মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম তখন মা আমাকে প্রার্থনা করতে উত্সাহ দিতেন। তিনি আমাকে গির্জায় নিয়ে যেতেন। কখনো কখনো আমরা ক্যাথলিক কোনো গির্জার কাছে যেতাম। আবার কখনো পেন্টিকোস্টালে যেতাম।

আলী কাদরি, ইমাম উজাইর ও রবি মায়েস্ত্রেসি। ছবি: সংগৃহীততবে আমার যাওয়ার বয়স না হওয়া মাত্রই আমি যাইনি। আমি যুবক থাকাকালীন প্রার্থনা করা বা এখানের বাইরে কিছু নিয়ে ভেবেছি—এমন কথা মনে করতে পারছি না।

আমার যখন ১৬ বছর বয়স, তখন আমরা অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসি। মা তখন বলেননি আমরা আমেরিকা থেকে কেন ফিরে যাচ্ছি। তবে আমি মনে করি, ফিরে যাওয়ার কারণ ছিলাম আমি নিজেই। কেননা, ভবঘুরে হয়ে আমি যেসব ছেলেপুলের সঙ্গে চলছিলাম, সেটা আমার ভুল পথ ছিল।

আম্মু আমাকে বললেন, আমরা ছুটি কাটাতে অস্ট্রেলিয়ায় আসছি। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল যে, এটা শুধু যাওয়ার টিকিট ছিল। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, আমাকে এখান থেকে সরিয়ে নেওয়াই তার একমাত্র উপায়।

মন্দ-অপরাধের গহ্বরে আমার হারিয়ে যাওয়া

কয়েক বছর ধরে আমি ঘোরাফেরা করেছিলাম। আমার বন্ধুদের সঙ্গে আমেরিকায় ফিরে যেতে চেয়েছিলাম। না পেরে আমি তখন সত্যিই খুব হতাশাগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ আমি এখানকার স্কুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সিস্টেম ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। তালিকাভুক্তির ছয় মাসের মধ্যেই আমি বাদ পড়ি।

আমি মার্কেটিংয়ের একটি কাজ পেয়েছিলাম। ঘরে ঘরে গিয়ে কাজটি করতে হতো। কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই স্কুল ছেড়ে এ ধরনের কাজে লেগে গিয়েছিলাম। পরে আমি একটি ব্যাংক ও সেন্টারলিঙ্কে কাজ করেছি। এই দুইটি ভালো কাজ ছিল। তবে বিনোদনমূলক মদ্যপান আমার জীবন-পটভূমিতে সবসময় ছিল। সাপ্তাহিক ছুটিতে বাইরে গিয়ে আমি পার্টি করতাম।

একটি বিষয় আমি পর্যবেক্ষণ করেছি, বিনোদনের জন্য আপনি যখন ড্রাগ নেবেন, তখন এগুলো আপনার জীবনে কিছু একটা ঘটিয়ে বসেব। আবার এগুলো বিনোদনমূলকও আর থাকে না।

আমার সমস্যা ছিল যেখানে

২২ বছর বয়সে আমি বিয়ে করেছিলাম। আমি আমার বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন সারাটা সময় ড্রাগ নিয়েছি। এমনকি যখন অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে, তখনও আমি মদপান করেছি। তখন আমি পুরো নাকাল হয়ে গিয়েছিলাম। আমার মনে হচ্ছিলো, আমি প্রচলিত জীবনে ব্যর্থ হয়েছি। জীবনটা ভালোভাবে উপভোগ করতে ও কাটাতে পারি না। তখন মাদক ও অপরাধ আমার নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আমি নিজেকে হারিয়ে ফেললাম। খারাপ, অসাধু কাজ ও অপরাধে হারাতে থাকি নিজের অস্তিত্ব। অপরাধ-জগতের উদাহরণ হয়ে উঠি আমি। ড্রাগ-সম্পৃক্ত যেকোনো কিছুতে নিজেকে জড়ানো ছিল আমার জন্য স্বাভাবিক। সুন্দর ও আনন্দের জীবন কাটানো আমার জন্য অসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। জীবন নিয়ে আমি তৃপ্ত ও খুশি হতে পারছিলাম না।

২০০৭ সালে আমি গ্রেফতার হই। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের জন্য আমাকে ১০ মাসের কারাদন্ডে দেওয়া হয়। সত্যি কথা বলতে, সেই সময়টা আমার জন্য খুব ভালো ছিল।

ব্রিসবেনের হল্যান্ড পার্কের এ মসজিদে রবি অনেক সময় কাটিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীতগ্রেফতারের সময় আমার শরীর- স্বাস্থ্য ভালো ছিল না। কারণ আমি টানা দুই-তিন রাত জেগে থাকতাম। কখনো কখনো এরচেয়ে বেশিও হতো। পার্টি-ফূর্তি ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকতাম। ভালো করে খাওয়া-দাওয়া করতাম না। কিন্তু যখন গ্রেফতার হলাম, তখন ঠিকমতো খাবার ও ঘুম পেয়ে আবার সুস্থ হয়ে উঠতে এটি আমার জন্য আশীর্বাদ ছিল।

জেল-জীবন আমার চোখ খুলে দেয়। কিন্তু যখন কারাগার থেকে বের হলাম, তখন আমি সরাসরি আগের অন্ধকার জগতে ফিরে যাই। সামান্য বিরতিও নেইনি। এক মুহূর্তও আমার মনে হয়নি যে, আমি এদের সঙ্গে চলিনি। কারণ এই লোকদের সঙ্গেই ঠিক আগে আমি একই কাজ করে এসেছি।

পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তন

কখনো আমার মতো মানুষদের জীবনে ভিন্নতা দেখা দেয়। আমি এই অঙ্গনে খারাপ কাজে আসক্ত থাকার পর নিজের আধ্যাত্মিক যত্ন-চর্চায় আগ্রহী হয়ে উঠি। নিজের ব্যক্তিত্ব ও আমার চরিত্রের প্রতি নজর দিতে শুরু করি। বুঝতে পেরেছিলাম যে, আমি নিজের কাছে সবচেয়ে খারাপ সংস্করণে পরিণত হয়েছি।

আমি পুরোনো অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে শুরু করি। নিজের কাছে এবং অন্যান্য মানুষের সঙ্গে সৎ হয়েই এমনটা আরম্ভ করি। আমি গোল্ড কোস্টের ব্যাপটিস্ট গির্জায় যাওয়া শুরু করি। এই অঞ্চলের অভাবীদের পানাহার করানো সঙ্গে নিজেজে জড়িত করি। বৃহস্পতিবার দুপুরে খাবার রান্না করে তাদের জন্য নিয়ে যেতাম। এই জাতীয় কাজগুলো করে আমি বুঝতে পারছিলাম যে, নিজেকে পরিবর্তন করা এত কঠিন নয়। আমি চাইলে পরিবর্তন করতে পারবো।

যেসব লোক ধর্মানুরাগী এবং সৎনিষ্ঠ কাজে জড়িত—তাদের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করা আমার জন্য ভালো দিক ছিল। কেননা আমি ধর্মহীন যাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম, তারা একে অপরের প্রতি সত্যই খারাপ-মন্দ আচরণ করতো। মাদকাসক্তি, মাদক বিক্রি, মাদক ও লেনদেন সংক্রান্ত কাজের জন্য একে অপরের আর্থিক এবং বিভিন্ন ক্ষতি করার অভ্যস্ত ছিল। মূলত এটি ছিল ‘নিকষ আঁধারির মাঝে আলো হারিয়ে যাওয়া’।

আমি ইশ্বরের প্রতি বিশ্বাসী ছিলাম। কিন্তু ধর্মতাত্ত্বিকভাবে আমি খ্রিস্ট
চাঁদা চেয়ে মসজিদের কাজ বন্ধ করায় ছাত্রলীগ নেতাকে শোকজ

চাঁদা চেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ করার অভিযোগে ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সম্পাদক মুশফিকুর রহমান সাকিবকে শোকজ করেছে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগ।শুক্রবার রাতে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান আকতার ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ রায়হান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোকজের বিষয়টি জানানো হয়।ওই শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ছাত্রলীগের ওই নেতা রংপুরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেকনো ট্রেডের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না পেয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণকাজে বাধা দেন, যা কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর এতে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়।

যদিও চাঁদা চাওয়ার এ বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কাজী মুশফিকুর রহমান সাকিব।তা সত্ত্বেও এ ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে ও প্রকৃত ঘটনা জানতে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে জবাব দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

ভারী অস্ত্রসহ ভাইরাল ছাত্রলীগ কর্মী !

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলামকে ভারী অস্ত্রসহ ফেসবুকে একটি ছবিতে দেখা গেছে। নিজেই সামাজিক মাধ্যমটিতে ছবিটি আপলোড করেন তিনি। ইতোমধ্যে সেটি ভাইরাল হয়েছে।

সাইফুল ইউনিয়নের দক্ষিণ ছড়ারকুলের আরিফুল ইসলাম বাবুর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে একটি ভারী অস্ত্র নিয়ে সামনের দিকে তাক করে থাকা অবস্থার একটি ছবি নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লেখেন ‘সাবধান ডাইরেক্ট অ্যাকশন হবে’।

এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে ক্যাপশন বদলে দেন তিনি। জানা গেছে, ছবিতে যে অস্ত্রটি তিনি ধরে ছিলেন তা খেলনার। নিছক মজার ছলেই তিনি সেটি হাতে নিয়ে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। চকরিয়া পুলিশ খেলনা অস্ত্রটি হেফাজতে নিয়েছে।

সাইফুল যেদিন ছবিটি তোলেন সেদিন ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় ফলাফল প্রকাশের পর ট্রাক নিয়ে বিজয় মিছিল করে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিনের সমর্থকরা। বিজয় মিছিলেই অস্ত্র হাতে ছবিটি তোলেন সাইফুল।

এ ব্যাপারে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্যের সঙ্গে কথা বলতে যোগযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে কথা হলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান, ফেসবুকে ছবিটি দেখার পর মনে হয়েছিল সাইফুলের হাতে কোনো ভারী অস্ত্র ছিল।

তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে অস্ত্রটিকে খেলনা দাবি করেন তিনি। পরে অস্ত্রটি তিনি থানায় জমা দেন। সেটি এখন থানাতেই হেফাজতে আছে। তিনি আরও জানান, মজা করতেই তিনি ছবিটি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন। তাকে সাবধান করা হয়েছে।

ইমরান খানের সম্মানে ক্বাবা শরীফের দরজা খুলে দেওয়া হয়!

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সৌদি সফরে যেয়ে ওমরা পালনের ইচ্ছাপোষন করলে তাঁর সম্মানে মুসলমানদের তীর্থস্থান পবিত্র ক্বাবার দরজাকে খুলে দেওয়া হয়। তিনি ক্বাবাগৃহের অভ্যন্তরে নফল নামাজ আদায় করেন। গতকাল (২০ সেপ্টেম্বর) সৌদি সফরকালে ইমরান খানের সম্মানে তাঁকে বিশের এ সম্মান প্রদর্শন করেন সৌদি হুকুমত। ওমরা পালন শেষে তিনি মসজিদে নববীতেও গমন করেন। বিশেষভাবে তিনি কাশ্মীরের মুসলমানদের জন্য দোয়া করেন। সৌদির এ সফরে ইমরান খান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয ও ক্রাউন্ট প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

আবার, কয়েক মিনিটের দূরত্ব অতিক্রম করে সেখানে চাইলেই হানা দিতে পারবে ভারতের বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানও। এছাড়া পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদের বিমানঘাঁটিতেও সংস্কারমূলক কাজ চলছে এবং সেখানে সম্প্রতি ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান রাখা হয়েছে।আরো সংবাদেনিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট সিসি!২০১৩ সালে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিসরে সব ধরনের গণবিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেন সামরিক শাসক আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।দীর্ঘদিন পর রাতের নীরবতা ভেঙে শুক্রবারা হঠাৎ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মিসরীয়রা। তারা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘সিসি, তুই ক্ষমতা ছাড়’।

কিন্তু আকস্মিক এ বিক্ষোভে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠে আসছে।ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের মধ্যপ্রাচ্যনীতিবিষয়ক কেন্দ্রের গবেষক খালিদ এলজিনদি বলেন, সামাজিকমাধ্যমে বিক্ষোভের ছবি দেখে মিসরীয় পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে তিনি অস্বস্তিবোধ করছেন।তিনি বলেন, কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে, ছোট্ট আকারে হলেও। এমন একটি সরকারের শাসনামালে এই বিক্ষোভ হচ্ছে, যখন ভিন্নমতের প্রতি শূন্যসহনীয় নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।এমন একসময় মিসরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

কিন্তু সিসির নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আল-জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ মনসুর জানালেন আরেক কথা। তার মতে, স্বৈরশাসক সিসি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যাননি যেমনটি তিনি ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মিশর থেকে নিউইয়র্ক গিয়েছেন ঠিকই, তবে তা হল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য।গণমাধ্যমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে আহমদ মনসুর

জানান, সিসি মূলত বাইরে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আশ্রয় অনুসন্ধান করতে গিয়েছেন। মিসরীয় জনগণ দীর্ঘদিনের ভয় ও বাধা ভেঙে তার পতনের দাবিতে রাস্তায় নেমে আসার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন।মিসরের সবশেষ পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াবে তা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ পরিস্থিতি মিসরীয় জনগণের মনে সিসির বিরুদ্ধে যে ক্ষোভ রয়েছে তা যেকোনো সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।